১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

দাউদকান্দিতে সড়কে ঝড়ল ২ বোন ও পুত্রবধূর প্রাণ

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দিতে বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে একই পরিবারের তিন নারী সদস্য নিহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় মহাসড়কের জিংলাতলী এলাকায় এ দুর্ঘটনায় আরো ৩০ বাস যাত্রী আহত হয়।

নিহতরা হলেন উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের পেন্নাই গ্রামের হাজারী বাড়ির মৃত রশিদ হাজারীর স্ত্রী রোসিয়া বেগম (৬২) ও বারপাড়া গ্রামের মৃত রেনু মিয়ার স্ত্রী ফজিলাতুন্নেছা (৬৫) এবং তার পুত্রবধূ সুমাইয়া আক্তার (২৫)।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী কেকে পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি এসি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টো পথে আসা একটি অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায়।এতে ঘটনাস্থলেই ফজিলাতুন্নেছা এবং রোসিয়া বেগম মারা যান। তারা দুজন আপন বোন। তাৎক্ষনিক দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও অটোরিকশার আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গৌরীপুরে পাঠায়। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে সুমাইয়া আক্তার নামে আরো একজন মারা যান।তিনিও অটোরিকশা যাত্রী ছিলেন বলে স্বজনরা জানান।

 

দুর্ঘটনা কবলিত বাসের যাত্রী আহত পলাশ ভৌমিক বলেন, ‘ঢাকা থেকে কেকে ট্রাভেলসের এসি বাসে নোয়াখালী যাচ্ছিলাম। গৌরীপুর পার হওয়ার পর জিংলাতুলি এলাকায় উল্টো পথে আসা একটি অটোরিকশাকে রক্ষা করতে গিয়ে আমাদের বাসটি খাদে পড়ে যায়।’

নিহতদের স্বজন রুহুল আমিন ও লোকমান হাজারী জানান, ফজিলাতুন্নেছার ছেলে আব্দুল মান্নানের শ্বশুরবাড়ি ছান্দ্রা বেড়াতে গিয়েছিলেন।সেখান থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনা আমাদের একই পরিবারের তিনজন মারা যায়।

 

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক মো. মহসিন জানান, দুর্ঘটনায় নিহত তিনজন একই পরিবারের। তাদের মরদেহ স্বজনদের নিকট হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। বাসটির চালক ও হেলপার পলাতক।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চিকিৎসা শুধু ব্যবসা নয়, মানবসেবাও — প্রমাণ করলেন এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটালের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলী

দাউদকান্দিতে সড়কে ঝড়ল ২ বোন ও পুত্রবধূর প্রাণ

প্রকাশিত : ০৭:৫৯:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দিতে বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে একই পরিবারের তিন নারী সদস্য নিহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় মহাসড়কের জিংলাতলী এলাকায় এ দুর্ঘটনায় আরো ৩০ বাস যাত্রী আহত হয়।

নিহতরা হলেন উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের পেন্নাই গ্রামের হাজারী বাড়ির মৃত রশিদ হাজারীর স্ত্রী রোসিয়া বেগম (৬২) ও বারপাড়া গ্রামের মৃত রেনু মিয়ার স্ত্রী ফজিলাতুন্নেছা (৬৫) এবং তার পুত্রবধূ সুমাইয়া আক্তার (২৫)।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতদের সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী কেকে পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি এসি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টো পথে আসা একটি অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে পাশের খাদে পড়ে যায়।এতে ঘটনাস্থলেই ফজিলাতুন্নেছা এবং রোসিয়া বেগম মারা যান। তারা দুজন আপন বোন। তাৎক্ষনিক দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও অটোরিকশার আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গৌরীপুরে পাঠায়। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে সুমাইয়া আক্তার নামে আরো একজন মারা যান।তিনিও অটোরিকশা যাত্রী ছিলেন বলে স্বজনরা জানান।

 

দুর্ঘটনা কবলিত বাসের যাত্রী আহত পলাশ ভৌমিক বলেন, ‘ঢাকা থেকে কেকে ট্রাভেলসের এসি বাসে নোয়াখালী যাচ্ছিলাম। গৌরীপুর পার হওয়ার পর জিংলাতুলি এলাকায় উল্টো পথে আসা একটি অটোরিকশাকে রক্ষা করতে গিয়ে আমাদের বাসটি খাদে পড়ে যায়।’

নিহতদের স্বজন রুহুল আমিন ও লোকমান হাজারী জানান, ফজিলাতুন্নেছার ছেলে আব্দুল মান্নানের শ্বশুরবাড়ি ছান্দ্রা বেড়াতে গিয়েছিলেন।সেখান থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনা আমাদের একই পরিবারের তিনজন মারা যায়।

 

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক মো. মহসিন জানান, দুর্ঘটনায় নিহত তিনজন একই পরিবারের। তাদের মরদেহ স্বজনদের নিকট হস্তান্তরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। বাসটির চালক ও হেলপার পলাতক।