০৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ গতিপথ না পাল্টালে সাতক্ষীরায় আঘাতের শঙ্কা নেই

ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সাতক্ষীরা জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থপনা কমিটির সভায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেছেন ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ মোকাবিলায় সাতক্ষীরায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে প্রায় ৩শ সাইক্লোন শেল্টার। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে প্রায় ৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবককেও। যাতে পরিস্থিতি অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ লোকজন সেখানে আশ্রয় নিতে পারেন। আমাদের লক্ষ্য থাকবে কি ভাবে ক্ষয় ক্ষতি কমানো যায়। সকল সাইক্লোন সেন্টার প্রস্তুতি রাখা হবে। ট্রলারগুলো রিকুইজেশন করা হবে। তারা মানুষের পরাপার করবে। জেলা প্রশাসক আরও জানান, শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলায় ৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সতর্ক করা হয়েছে। শুকনো খাবার ও ওষুধ প্রস্তত রাখা হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রস্তত রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, নৌ-বাহিনী, কোস্টগার্ড।
আবহাওয়া বিষয়ক কর্মকর্তা জুলফিকার আলী, জানান, বর্তমানে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের যে গতিপথ আছে তা পরিবর্তন না হলে আপাতত সাতক্ষীরা  উপকূলে আঘাত হানার আশঙ্কা নেই। তবে ঝড়ের প্রভাবে দমকা বাতাস, ভারী বৃষ্টি ও নদীতে পানির উচ্চতা বাড়তে পারে।
মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১২ টায় জেলা প্রশাসক’র সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চিকিৎসা শুধু ব্যবসা নয়, মানবসেবাও — প্রমাণ করলেন এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটালের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলী

ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ গতিপথ না পাল্টালে সাতক্ষীরায় আঘাতের শঙ্কা নেই

প্রকাশিত : ০৩:২৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩
ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সাতক্ষীরা জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থপনা কমিটির সভায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেছেন ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ মোকাবিলায় সাতক্ষীরায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে প্রায় ৩শ সাইক্লোন শেল্টার। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে প্রায় ৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবককেও। যাতে পরিস্থিতি অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ লোকজন সেখানে আশ্রয় নিতে পারেন। আমাদের লক্ষ্য থাকবে কি ভাবে ক্ষয় ক্ষতি কমানো যায়। সকল সাইক্লোন সেন্টার প্রস্তুতি রাখা হবে। ট্রলারগুলো রিকুইজেশন করা হবে। তারা মানুষের পরাপার করবে। জেলা প্রশাসক আরও জানান, শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলায় ৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সতর্ক করা হয়েছে। শুকনো খাবার ও ওষুধ প্রস্তত রাখা হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রস্তত রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, নৌ-বাহিনী, কোস্টগার্ড।
আবহাওয়া বিষয়ক কর্মকর্তা জুলফিকার আলী, জানান, বর্তমানে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের যে গতিপথ আছে তা পরিবর্তন না হলে আপাতত সাতক্ষীরা  উপকূলে আঘাত হানার আশঙ্কা নেই। তবে ঝড়ের প্রভাবে দমকা বাতাস, ভারী বৃষ্টি ও নদীতে পানির উচ্চতা বাড়তে পারে।
মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১২ টায় জেলা প্রশাসক’র সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন।