০৭:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

ভোলায় আওয়ামী লীগ নেতা নোমানের শোডাউন

আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোলায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা বেশ জোরে শোরে মাঠে নেমে পড়েছেন। এরই অংশ হিসেবে ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বিশিষ্ট শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হাওলাদার তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বৃহস্পতিবার লালমোহনে বিশাল শোডাউন করেছেন।

তিনি আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সদস্য, বিবিএস ও নাহী গ্রুপের চেয়ারম্যান। আবু নোমান হাওলাদার সকালে ঢাকা থেকে লালমোহনে এলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচছা ও সংবর্ধণা জানান।

এরপর উপজেলার ধলিগর নগর ইউনিয়নের মঙ্গল সিকদার বাজার ও হরিগঞ্জ বাজারে এক উন্নয়ন ও শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে বলেন, বিগত জোট সরকারের আমলে ভোলা-৩ আসনের যেসব আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন আজ সেসব নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও হামলা-মামলার শিকার হচ্ছেন। আওয়ামী লীগ নেতা বাবুলের বিরুদ্ধে ৫টি ও হোসেন হাওলাদারের বিরুদ্ধে ১৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আজ শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন সমাবেশকেও বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় আমাদের নেতাকর্মীদেরকে আক্রমন করা হয়েছে। গাড়িতে হামলা চালিয়েছে। যারা এ শান্তি সমাবেশকে বাধা দিয়েছে তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী নয়। তারা হাইব্রিট।

সমাবেশে তজুমদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফকরুল আলম জাহাঙ্গীর, শম্ভুপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ফরিদ, চাচরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন হান্নান, লালমোহন উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামের ছেলে হেদায়েতুল ইসলাম ডিউক, ধলিগর নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলাম মিন্টু, চরভূতা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন হাওলাদারসহ লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলার আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হাওলাদারের শান্তি সমাবেশকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরে লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলায় নোমান গ্রুপ ও বর্তমান এমপি যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন গ্রুপের মধ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

সরেজমিনে গিয়েও দেখা গেছে, সকাল থেকে লালমোহন পৌর শহর, থানার মোরসহ বিভিন্ন এলাকায় শাওনের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা শাওনের পক্ষে মিছিল করেছেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দিয়েছেন।

তবে, প্রশাসনের সতর্ক অবস্থানের কারণে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। লালমোহন উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন ছিল।

উল্লেখ্য, দলীয় মনোনয়ন নিয়ে ভোলা-৩ আসনে আওয়ামী দলীয় এমপি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এবং ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হাওলাদারের গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চিকিৎসা শুধু ব্যবসা নয়, মানবসেবাও — প্রমাণ করলেন এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটালের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলী

ভোলায় আওয়ামী লীগ নেতা নোমানের শোডাউন

প্রকাশিত : ০৪:৫৯:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৩

আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোলায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা বেশ জোরে শোরে মাঠে নেমে পড়েছেন। এরই অংশ হিসেবে ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বিশিষ্ট শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হাওলাদার তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বৃহস্পতিবার লালমোহনে বিশাল শোডাউন করেছেন।

তিনি আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সদস্য, বিবিএস ও নাহী গ্রুপের চেয়ারম্যান। আবু নোমান হাওলাদার সকালে ঢাকা থেকে লালমোহনে এলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচছা ও সংবর্ধণা জানান।

এরপর উপজেলার ধলিগর নগর ইউনিয়নের মঙ্গল সিকদার বাজার ও হরিগঞ্জ বাজারে এক উন্নয়ন ও শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে বলেন, বিগত জোট সরকারের আমলে ভোলা-৩ আসনের যেসব আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন আজ সেসব নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও হামলা-মামলার শিকার হচ্ছেন। আওয়ামী লীগ নেতা বাবুলের বিরুদ্ধে ৫টি ও হোসেন হাওলাদারের বিরুদ্ধে ১৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আজ শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন সমাবেশকেও বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় আমাদের নেতাকর্মীদেরকে আক্রমন করা হয়েছে। গাড়িতে হামলা চালিয়েছে। যারা এ শান্তি সমাবেশকে বাধা দিয়েছে তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী নয়। তারা হাইব্রিট।

সমাবেশে তজুমদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফকরুল আলম জাহাঙ্গীর, শম্ভুপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ফরিদ, চাচরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন হান্নান, লালমোহন উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামের ছেলে হেদায়েতুল ইসলাম ডিউক, ধলিগর নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হেদায়েতুল ইসলাম মিন্টু, চরভূতা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন হাওলাদারসহ লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলার আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হাওলাদারের শান্তি সমাবেশকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরে লালমোহন ও তজুমদ্দিন উপজেলায় নোমান গ্রুপ ও বর্তমান এমপি যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন গ্রুপের মধ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

সরেজমিনে গিয়েও দেখা গেছে, সকাল থেকে লালমোহন পৌর শহর, থানার মোরসহ বিভিন্ন এলাকায় শাওনের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা শাওনের পক্ষে মিছিল করেছেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দিয়েছেন।

তবে, প্রশাসনের সতর্ক অবস্থানের কারণে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। লালমোহন উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন ছিল।

উল্লেখ্য, দলীয় মনোনয়ন নিয়ে ভোলা-৩ আসনে আওয়ামী দলীয় এমপি নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এবং ইঞ্জিনিয়ার আবু নোমান হাওলাদারের গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে