শীতের আমেজ বইছে পাহাড়ে। নীল আকাশের শুভ্র সাদা মেঘও এখন কুয়াশার দখলে। সকালে ঘাসের ডগায় শিশিরের বিন্দু। আর গোধূলী রঙে কুয়াশার হাত ছানি। স্নিগ্ধ বাতাসে হিম হিম অনুভূতিতে মুগ্ধ স্থানীয়রা।
এই মধ্যে পাহাড় ও প্রকৃতি সেজেছে আপন রূপে। সবুজ পাহাড়। নীল আকাশ। শুভ্র মেঘের ভেলা। এ যেন এক অন্যরকম বৈচিত্র্যতার দেখা মিলছে রাঙামাটিতে।
রাঙামাটিতে ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা পর্যটক রায়হানা রোশনি বলেন, রাঙামাটির এখন রূপ বৈচিত্র সত্যি পাগল করার মতো। এতো সুন্দর প্রকৃতি কোথাও দেওয়া মিলে না।
চলছে হেমন্তকাল। তারপর শীত। কিন্তু তার আগেই এমন হিম হিম অনুভূতি পাহাড়ের বুক জুড়ে। তাই দূর দূরান্তের পর্যটকরাও আকৃষ্ট হচ্ছেন পাহাড়ের প্রতি। পর্যটক বরণে প্রস্তত রাঙামাটির পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরাও।
রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপন আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, দীর্ঘদিন রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের ডুবে থাকা রাঙামাটি ঝুলন্ত সেতুটি আবারও দৃশ্যমান হয়েছে। এরই মধ্যে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এবার পর্যটকদের ভাগ্য ভালো। শীত মৌমুমের আগেই শীত অনুভূত হচ্ছে পাহাড়ে। প্রাকৃতিক পরিবেশ অসাধারণ। তাই পর্যটকদেরও আগ্রহ বেড়েছে। এরই মধ্যে বুকিং শুরু হয়ে গেছে। শুক্রবার ও শনিবার সব কটেজ বুকিং রয়েছে। পর্যটক এলে বাড়বে রাজস্ব আয়।
রাঙামাটি পর্যটন ঘাটের ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির ম্যানেজার মো. রমজান আলী বলেন, সঠিক সময়ে ভেসে উঠেছে ঝুলন্ত সেতুটি। পর্যটকরাও আসতে শুরু করেছে। রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদ এখন আরও সুন্দর। প্রকৃতি আর ঝর্ণা সব মিলে অসাধারণ সুন্দর। ট্যুরিস্ট বোটগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পর্যটকরা যাতে সুন্দরভাবে কাপ্তাই হ্রদ ভ্রমণ করতে পারে।
রাঙামাটিতে রয়েছে পর্যটকদের আকর্ষণ করার মতো সব স্থান। রাঙামাটি কাপ্তাই আসাম বস্তি সড়ক। ফুরামন পাহাড়। কাপ্তাই হ্রদ। ডিসি বাংলো পার্ক। শুভলং ও ঘাগড়া ঝর্ণা। পলওয়ে পার্ক, রাঙামাটি পার্ক। ঝুলন্ত সেতুসহ অসংখ্য দর্শনীয় স্থান।





















