০২:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

বিদ্যুৎ লাইন কর্তন ও ২ ঘর ভেঙ্গে নেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নরসিংদীর রায়পুরায় জমিতে স্থাপিত দুটি ঘর থেকে বিদ্যুৎ লাইন কর্তন করে মিটার এবং মালামাল সড়িয়ে নেওয়া অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে হারুনুর রশিদ ভুইয়া নামে এক ভুক্তভোগী। সংবাদ সম্মেলন থেকে আ: বাছেদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেন ভুক্তভোগী।
সোমবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে রায়পুরা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হারুনুর রশিদ ভুইয়া লিখিত বক্তব্যে বলেন, ১৯৯৭ সালের ৬ অক্টোবর এসএ দাগ ১৬৭৮ এ ১০৫২২ দলিলে ১৩.২৫ ডিং  এবং ২০০৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ১০১১৬ দলিলে ৮.৭৫ ডিং মিলিয়ে ২২ডিং এবং ২০০৭ সালের ২৫ জুন দ্বিতীয় পক্ষের এসএ ১৬৭৮ এ ৪৯৪৮ দলিলে ৫.৫০ ডিং জমি ক্রয় করে খারিজ প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় পক্ষ ৬২৮৬ নং এ একটি মিথ্যা দলিল করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
হারুনুর রশিদ আরোও বলেন, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) অন্যের ভূমি ক্রয় দেখিয়ে আমার নামজারী বাতিল করে, এবং দুই পক্ষের সমন্বয়ের মাধ্যমে খারিজ প্রদানের আদেশ প্রদান করেন। পরে ২০২২ সালের ২৩ আগষ্ট পলাশতলী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আদেশটি গোপন করে দ্বিতীয় পক্ষকে খারিজ প্রদান করে। এখবর জানতে পেরে তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের নিকট আপীল মোকদ্দমা দাখিল করি। যা এখনো মামলা চলমান রয়েছে।
পরে প্রতিপক্ষরা বাড়িতে গিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মিটার খুলে নিয়ে আসে এবং আমার ভাড়াটিয়াদের ঘর ছাড়ার আদেশ প্রদান করে। পরে চলতি বছরের ১০ নভেম্বর রাতে আমার ভাড়াটিয়ারা বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। পরে প্রতিপক্ষের লোকজন বাড়িতে প্রবেশ করে দুই ঘরে থাকা মালামাল লুট করে ও দুটি ঘর ভেঙ্গে নিয়ে যায় বলে জানান তিনি।
শেষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান তিনি।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের আকদ সম্পন্ন

বিদ্যুৎ লাইন কর্তন ও ২ ঘর ভেঙ্গে নেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত : ০৭:২৬:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩
নরসিংদীর রায়পুরায় জমিতে স্থাপিত দুটি ঘর থেকে বিদ্যুৎ লাইন কর্তন করে মিটার এবং মালামাল সড়িয়ে নেওয়া অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে হারুনুর রশিদ ভুইয়া নামে এক ভুক্তভোগী। সংবাদ সম্মেলন থেকে আ: বাছেদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেন ভুক্তভোগী।
সোমবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে রায়পুরা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হারুনুর রশিদ ভুইয়া লিখিত বক্তব্যে বলেন, ১৯৯৭ সালের ৬ অক্টোবর এসএ দাগ ১৬৭৮ এ ১০৫২২ দলিলে ১৩.২৫ ডিং  এবং ২০০৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ১০১১৬ দলিলে ৮.৭৫ ডিং মিলিয়ে ২২ডিং এবং ২০০৭ সালের ২৫ জুন দ্বিতীয় পক্ষের এসএ ১৬৭৮ এ ৪৯৪৮ দলিলে ৫.৫০ ডিং জমি ক্রয় করে খারিজ প্রদান করা হয়। দ্বিতীয় পক্ষ ৬২৮৬ নং এ একটি মিথ্যা দলিল করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
হারুনুর রশিদ আরোও বলেন, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) অন্যের ভূমি ক্রয় দেখিয়ে আমার নামজারী বাতিল করে, এবং দুই পক্ষের সমন্বয়ের মাধ্যমে খারিজ প্রদানের আদেশ প্রদান করেন। পরে ২০২২ সালের ২৩ আগষ্ট পলাশতলী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আদেশটি গোপন করে দ্বিতীয় পক্ষকে খারিজ প্রদান করে। এখবর জানতে পেরে তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের নিকট আপীল মোকদ্দমা দাখিল করি। যা এখনো মামলা চলমান রয়েছে।
পরে প্রতিপক্ষরা বাড়িতে গিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মিটার খুলে নিয়ে আসে এবং আমার ভাড়াটিয়াদের ঘর ছাড়ার আদেশ প্রদান করে। পরে চলতি বছরের ১০ নভেম্বর রাতে আমার ভাড়াটিয়ারা বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। পরে প্রতিপক্ষের লোকজন বাড়িতে প্রবেশ করে দুই ঘরে থাকা মালামাল লুট করে ও দুটি ঘর ভেঙ্গে নিয়ে যায় বলে জানান তিনি।
শেষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নিকট সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান তিনি।