নওগাঁ সদর মডেল থানা এবং মহাদেবপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে নওগাঁ রাজশাহী মহাসড়কের পাশ থেকে মামুনুর রশিদ মামুন (২৮) এর লাশ উদ্ধার।
রবিবার বেলা ১২:৩০ এর দিকে দুই থানার পুলিশের যৌথ অভিযানে নওগাঁ রাজশাহী মহাসড়কে অবস্থিত আব্দুল জলিল কোল্ড স্টোরেজ সংলগ্ন রাস্তার পাশ থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী রফিকুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, মৃত মামুনুর রশিদ মামুন আমার প্রতিবেশী ভাসতা হয়। সে নওগাঁ সদর উপজেলার কুমুরিয়া গ্রামের মৃত আলেফ উরফে হাড্ডির ছেলে। সে ব্যবসা করে, প্রতিদিন ব্যবসার কাজ ছেড়ে বাসায় ফিরে আসে কিন্তু গতকাল রাত বারোটার দিকে যখন ফোনে সে বাড়িতে কথা বলে সে জানায় বাড়িতে আসতেছে অথচ সকাল হলেও বাড়ি না ফেরায় সকলে দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য রুবেল ভাইয়ের মাধ্যমে থানা ডিবি অফিস সহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিয়ে কোন খোঁজ পাওয়া না গেলে। আমার ভাসতার সাথে থাকা ট্রাক ড্রাইভার ও হেলপার কে ডেকে এলাকার লোকজনের সামনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এক পর্যায়ে হেল্পার বলে ওঠে একটা কাজ হয়ে গেছে ভাই একটু সাইডে গিয়ে বলতে হবে।
এরপর জবার মোড়ের একটি দোকান ঘরের ভেতরে ওদের নিয়ে গেলে তাঁরা স্থানীয় ইউপি সদস্য রুবেলের সামনে জবানবন্দি দেয় যে মামুনুর রশিদ মামুনকে তারা হত্যা করে সে আব্দুল জলিল কোল্ড স্টোরেজ সংলগ্ন নওগাঁ রাজশাহী মহাসড়কের পাশে ফেলে রেখে এসেছে। ইউপি সদস্য রুবেল সঙ্গে সঙ্গে নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফয়সালা আহসানের সাথে যোগাযোগ করলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে আসামিদের গ্রেপ্তার করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানান, মৃত মামুনুর রশিদের কাছে ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা ছিল তা আমরা ছিনিয়ে নেই এবং হাতুরের আঘাতে তাকে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে দিয়ে টাকা আমরা দুইজন ভাগ করে নিয়ে বাসায় চলে আসি।
এ বিষয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাফফর হোসেন বলেন, লাশ উদ্ধার হয়েছে এবং ২ জন আসামি গ্রেফতার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।




















