০৫:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে পুকুর থেকে কিশোরীর মৃতদেহ উদ্ধার

লক্ষ্মীপুরে পুকুর থেকে আসমা আক্তার নামে ১৪ বছরের এক কিশোরী মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্বজনদের। শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে আসমাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আসমা সদর উপজেলার শাকচর গ্রামের বাসিন্দা ফয়েজ আহমদের মেয়ে। তবে কি কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা জানাতে না পারলেও বিবস্ত্র অবস্থায় আসমার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানান স্বজনরা।

হাসপাতাল ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, আসমাকে বাড়িতে রেখে তার মা তার বাবার কর্মস্থলে (ফেনী) যান। এ সময় আসমাকে দেখভালের জন্য তার নানি হালিমা বেগমকে দায়িত্ব দিয়ে যান। শনিবার সন্ধ্যার পর আসমাকে নিজ বাড়িতে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করেন নানিসহ স্বজনরা। পরে রাতে বাড়ির পাশের পুকুরে বিবস্ত্র অবস্থায় তার দেহ ভাসতে দেখেন তারা। পরে তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে আসমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের মামা মো. হানিফ ও নানি হালিমা বলেন, বিবস্ত্র অবস্থায় পুকুর থেকে আসমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নও রয়েছে।

সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জয়নাল আবদীন বলেন, আসমাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি লোকমান হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডই ধারণা করা হচ্ছে। লাশ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে, ময়নাতদন্ত শেষে হত্যা ও ধর্ষণ হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলস্টেশন থেকে গুলিসহ একটি এয়ারগান উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৯

লক্ষ্মীপুরে পুকুর থেকে কিশোরীর মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত : ১২:১৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ জুন ২০১৮

লক্ষ্মীপুরে পুকুর থেকে আসমা আক্তার নামে ১৪ বছরের এক কিশোরী মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্বজনদের। শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে আসমাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আসমা সদর উপজেলার শাকচর গ্রামের বাসিন্দা ফয়েজ আহমদের মেয়ে। তবে কি কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা জানাতে না পারলেও বিবস্ত্র অবস্থায় আসমার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানান স্বজনরা।

হাসপাতাল ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, আসমাকে বাড়িতে রেখে তার মা তার বাবার কর্মস্থলে (ফেনী) যান। এ সময় আসমাকে দেখভালের জন্য তার নানি হালিমা বেগমকে দায়িত্ব দিয়ে যান। শনিবার সন্ধ্যার পর আসমাকে নিজ বাড়িতে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করেন নানিসহ স্বজনরা। পরে রাতে বাড়ির পাশের পুকুরে বিবস্ত্র অবস্থায় তার দেহ ভাসতে দেখেন তারা। পরে তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে আসমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের মামা মো. হানিফ ও নানি হালিমা বলেন, বিবস্ত্র অবস্থায় পুকুর থেকে আসমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নও রয়েছে।

সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জয়নাল আবদীন বলেন, আসমাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি লোকমান হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডই ধারণা করা হচ্ছে। লাশ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে, ময়নাতদন্ত শেষে হত্যা ও ধর্ষণ হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।