০৭:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

চাঁদপুরের ৪০ গ্রামে ঈদ উদযাপন

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ ও পাশ্ববর্তী উপজেলার ৪০ গ্রামে আজ শুক্রবার (১৫ জুন) আগাম ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে। আগাম ঈদ উদযাপন রীতি চালুকারী সাদ্রা গ্রামের দরবার শরীফের মরহুম পীর হযরত মাওলানা ইসহাক (রহ.) এর ছেলে মাওলানা মো. জাকারিয়া চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

১৯৩২ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরীফের পীর সাহেব আরব দেশের সাথে মিল রেখে আগাম রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা উদযাপনের নিয়ম চালু করেন।

হাজীগঞ্জ উপজেলার সমেশপুর গ্রামের বাসিন্দা তানজিমুল ইসলাম মামুন জানান, রাত ১০টার পরে সমেশপুর মসজিদ থেকে ঈদুল ফিতর উদযাপন এবং জামায়াতের সময়সূচী মাইকে ঘোষনা করা হয়। প্রথম জামায়াত সমেশপুর ঈদগাহ মাঠে শুক্রবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। একই সময় আরেকটি ঈদ জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে সাদ্রা দরবার শরীফের ঈদগাহ মাঠে। বাকী ঈদের জামায়াতগুলোও ১০টার পরে ১১টার মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

বর্তমান পীর মাওলানা জাকারিয়া চৌধুরী (মাদানী হুজুর) জানান, মরহুম পীর ইসহাক (রহ.) এর সময় থেকে বিশ্বের যে কোন দেশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখাগেলে এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যে তা নিশ্চিত হলে ঈদ উদযাপন করা হয়েছে। এবারও ইন্দোনেশিয়া ও মালয়শিয়ায় চাঁদ দেখা যাওয়ার সংবাদ নিশ্চিত হয়ে আমরা ঈদুল ফিতর উদযাপন এর ঘোষণা দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ পূর্বের মত ৪০ গ্রামসহ দেশের অন্যান্য জেলার মধ্যে সিলেট, রাজশাহী, পটুয়াখালী, ফেনী ও লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপন হবে।

চাঁদপুরে আগাম ঈদুল আযহা পালিত হবে যে সব গ্রামে: হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, জাকনী , প্রতাবপুর, বাসারা, ফরিদগঞ্জ উপজেলার: লক্ষীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর, মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়াসহ শাহরাস্তি উপজেলার কয়েকটি গ্রামের অংশ বিশেষ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলস্টেশন থেকে গুলিসহ একটি এয়ারগান উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৯

চাঁদপুরের ৪০ গ্রামে ঈদ উদযাপন

প্রকাশিত : ১২:১৯:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জুন ২০১৮

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ ও পাশ্ববর্তী উপজেলার ৪০ গ্রামে আজ শুক্রবার (১৫ জুন) আগাম ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে। আগাম ঈদ উদযাপন রীতি চালুকারী সাদ্রা গ্রামের দরবার শরীফের মরহুম পীর হযরত মাওলানা ইসহাক (রহ.) এর ছেলে মাওলানা মো. জাকারিয়া চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

১৯৩২ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরীফের পীর সাহেব আরব দেশের সাথে মিল রেখে আগাম রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা উদযাপনের নিয়ম চালু করেন।

হাজীগঞ্জ উপজেলার সমেশপুর গ্রামের বাসিন্দা তানজিমুল ইসলাম মামুন জানান, রাত ১০টার পরে সমেশপুর মসজিদ থেকে ঈদুল ফিতর উদযাপন এবং জামায়াতের সময়সূচী মাইকে ঘোষনা করা হয়। প্রথম জামায়াত সমেশপুর ঈদগাহ মাঠে শুক্রবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। একই সময় আরেকটি ঈদ জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে সাদ্রা দরবার শরীফের ঈদগাহ মাঠে। বাকী ঈদের জামায়াতগুলোও ১০টার পরে ১১টার মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

বর্তমান পীর মাওলানা জাকারিয়া চৌধুরী (মাদানী হুজুর) জানান, মরহুম পীর ইসহাক (রহ.) এর সময় থেকে বিশ্বের যে কোন দেশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখাগেলে এবং নির্ভরযোগ্য তথ্যে তা নিশ্চিত হলে ঈদ উদযাপন করা হয়েছে। এবারও ইন্দোনেশিয়া ও মালয়শিয়ায় চাঁদ দেখা যাওয়ার সংবাদ নিশ্চিত হয়ে আমরা ঈদুল ফিতর উদযাপন এর ঘোষণা দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ পূর্বের মত ৪০ গ্রামসহ দেশের অন্যান্য জেলার মধ্যে সিলেট, রাজশাহী, পটুয়াখালী, ফেনী ও লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপন হবে।

চাঁদপুরে আগাম ঈদুল আযহা পালিত হবে যে সব গ্রামে: হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, জাকনী , প্রতাবপুর, বাসারা, ফরিদগঞ্জ উপজেলার: লক্ষীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর, মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়াসহ শাহরাস্তি উপজেলার কয়েকটি গ্রামের অংশ বিশেষ।