০৫:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

প্রেম বিয়ে, অতঃপর যুগলের করুণ পরিণতি!

কুড়িগ্রাম পৌরসভার হরিকেশ মধ্যপাড়া এলাকায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মিলন মিয়া (২০) ও মনিষা আক্তার (১৭) নামে দুজন প্রেমিক-প্রেমিকা আত্মহত্যা করেছে।

বুধবার (২০ জুন) দুপুরে প্রেমিক মিলন মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে নিহতদের মরদেহ কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একমাস পূর্বে এই প্রেমিক যুগল গোপনে বিয়ে করেছিলেন। মনিষার মা মিনা বেগম বিয়ের কথা জানার পর থেকে মেয়ের সঙ্গে কলহ করে আসছিলেন। পারিবারিকভাবে বিয়ে মেনে না নেয়ায় আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, মনিষার বাবা আইয়ুব মুন্সি (৫২) কুড়িগ্রাম পৌর বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী এবং একই এলাকার পাম্প মিস্ত্রি বেলাল হোসেনের ছেলে মিলন। মিলন কাঠমিস্ত্রির কাজ করে। বুধবার (২০ জুন) সকালে মনিষা তার মায়ের কাছে যায় এবং সেখান থেকে ফিরে এসে ঘরের দরজা বন্ধ করে দুজনে মোবাইলে গান শুনছিল। দীর্ঘক্ষণ তাদের সাড়া-শব্দ না পেয়ে বাড়ির লোকজন ঘরের দরজার পর্দা সরিয়ে দেখে তারা দুজন ওড়নার দু’দিকে ঝুলে আছে। পরে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নেয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।

কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহফুজার রহমান এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তারা ফিরে আসলে বিস্তারিত জানা যাবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রেলস্টেশন থেকে গুলিসহ একটি এয়ারগান উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৯

প্রেম বিয়ে, অতঃপর যুগলের করুণ পরিণতি!

প্রকাশিত : ০২:৫০:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জুন ২০১৮

কুড়িগ্রাম পৌরসভার হরিকেশ মধ্যপাড়া এলাকায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মিলন মিয়া (২০) ও মনিষা আক্তার (১৭) নামে দুজন প্রেমিক-প্রেমিকা আত্মহত্যা করেছে।

বুধবার (২০ জুন) দুপুরে প্রেমিক মিলন মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে নিহতদের মরদেহ কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একমাস পূর্বে এই প্রেমিক যুগল গোপনে বিয়ে করেছিলেন। মনিষার মা মিনা বেগম বিয়ের কথা জানার পর থেকে মেয়ের সঙ্গে কলহ করে আসছিলেন। পারিবারিকভাবে বিয়ে মেনে না নেয়ায় আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, মনিষার বাবা আইয়ুব মুন্সি (৫২) কুড়িগ্রাম পৌর বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী এবং একই এলাকার পাম্প মিস্ত্রি বেলাল হোসেনের ছেলে মিলন। মিলন কাঠমিস্ত্রির কাজ করে। বুধবার (২০ জুন) সকালে মনিষা তার মায়ের কাছে যায় এবং সেখান থেকে ফিরে এসে ঘরের দরজা বন্ধ করে দুজনে মোবাইলে গান শুনছিল। দীর্ঘক্ষণ তাদের সাড়া-শব্দ না পেয়ে বাড়ির লোকজন ঘরের দরজার পর্দা সরিয়ে দেখে তারা দুজন ওড়নার দু’দিকে ঝুলে আছে। পরে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নেয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।

কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহফুজার রহমান এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তারা ফিরে আসলে বিস্তারিত জানা যাবে।