০৮:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিশ্বব্যাংক থেকে ১৬শ’ মিলিয়ন ঋণ নিয়েছে বাংলাদেশ

গত ১ দশকে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের দুর্যোগ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে চারটি প্রকল্পে সর্বমোট ১৬০০.৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বৃহস্পতিবার (২১ জুন) জাতীয় সংসদে দিদারুল আলমের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালে সিডর-উত্তর দুর্যোগ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক ‘ইমারজেন্সি সাইক্লোন রিকভারি অ্যান্ড রেস্টরেশন প্রজেক্ট’ এ ৩০৫.৭৮ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেয়। যা চলতি বছরের ৩০ জুন শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

দ্বিতীয়ত: ‘এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশন প্রোগ্রাম ফর দা পুয়োরেস্ট’ শীর্ষক প্রকল্পে ১৫০ মিলিয়ন ডলার, যার ২০১১ সালে শুরু হয় এবং ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হয়েছে।

তৃতীয়ত: সেফটি নেট সিস্টেম ফর দা পুয়োরেস্ট প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়েছে, যা শেষ হবে ২০১৯ সালের ৩০ জন।

এ প্রকল্পের অগ্রগতি ৮৯ শতাংশ, আবার এর অ্যাডিশনাল প্রকল্পে পুনরায় ২৪৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে, যার অগ্রগতি ৪.৭৮ শতাংশ।

শেষ প্রকল্পটি হলো কোস্টাল এমবার্কিং ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট, ফেস-১ এ ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে, যা জুন ২০২০ সালে শেষ হবে। এর অগ্রগতি ১৯ শতাংশ বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

বিশ্বব্যাংক থেকে ১৬শ’ মিলিয়ন ঋণ নিয়েছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ১০:০৩:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জুন ২০১৮

গত ১ দশকে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের দুর্যোগ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে চারটি প্রকল্পে সর্বমোট ১৬০০.৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বৃহস্পতিবার (২১ জুন) জাতীয় সংসদে দিদারুল আলমের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালে সিডর-উত্তর দুর্যোগ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক ‘ইমারজেন্সি সাইক্লোন রিকভারি অ্যান্ড রেস্টরেশন প্রজেক্ট’ এ ৩০৫.৭৮ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেয়। যা চলতি বছরের ৩০ জুন শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

দ্বিতীয়ত: ‘এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশন প্রোগ্রাম ফর দা পুয়োরেস্ট’ শীর্ষক প্রকল্পে ১৫০ মিলিয়ন ডলার, যার ২০১১ সালে শুরু হয় এবং ২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হয়েছে।

তৃতীয়ত: সেফটি নেট সিস্টেম ফর দা পুয়োরেস্ট প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়েছে, যা শেষ হবে ২০১৯ সালের ৩০ জন।

এ প্রকল্পের অগ্রগতি ৮৯ শতাংশ, আবার এর অ্যাডিশনাল প্রকল্পে পুনরায় ২৪৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে, যার অগ্রগতি ৪.৭৮ শতাংশ।

শেষ প্রকল্পটি হলো কোস্টাল এমবার্কিং ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট, ফেস-১ এ ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে, যা জুন ২০২০ সালে শেষ হবে। এর অগ্রগতি ১৯ শতাংশ বলে জানান অর্থমন্ত্রী।