০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

১৪ জুলাই চলবে পাবনাবাসীর স্বপ্নের ট্রেন

আগামী ১৪ জুলাই পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের ট্রেন চলাচলের স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। ঈশ্বরদী-পাবনা রুটে এই ট্রেন চলাচল শুরু হচ্ছে।

পাবনা পুলিশ লাইন মাঠে দুপুরে ঈশ্বরদী-পাবনা রুটে রেলপথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে, সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক চুল্লি বসানোর কাজের অর্থাৎ ফাস্ট কংক্রিট পোরিং ডেট বা এফসিডি কাজের উদ্বোধন করবেন।

বৃহস্পতিবার পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আসাদুল হক ঈশ্বরদী-পাবনা রেলপথ উদ্বোধনের বিষযটি নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর পাবনার কৃত্বি সন্তান ও বঙ্গবন্ধুর সহচর তদানিন্তন যোগাযোগমন্ত্রী শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী পাবনাবাসীর রেলপথের স্বপ্নের বিষযটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৪ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঈশ্বরদী-পাবনা হয়ে নগরবাড়ি পর্যন্ত রেলপথের প্রকল্প গ্রহণ করে জমি অধিগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাবনাবাসীর স্বপ্ন পূরণের জন্য প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করেন।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় নবাগত ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) নাজমুল ইসলাম জানান, ঈশ্বরদীর মাঝগ্রাম হতে ঢালারচর পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় নবনির্মিত ঈশ্বরদী-পাবনা রেল সেকশনে ২৫ কিলোমিটারে রেলপথের নির্মাণ প্রক্রিয়া, সেতু-কালভার্ট নির্মাণ, রেলগেট, রেলক্রসিং, ট্রেন চলাচলের সিগন্যাল ব্যবস্থা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মোট ৭৮ কিলোমিটার নতুন রেললাইন। অবশিষ্ঠ ৫৩ কিলোমিটার দ্বিতীয় ধাপে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে শেষ হবে ।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে প্রকৌশলী (ডিএন-২) আরিফ আহম্মেদ জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফলক উন্মোচন করে উদ্বোধনের পর প্রথম ট্রেনটি ‘পাবনা এক্সপ্রেস’নামে চলবে। উদ্বোধনের সময় ইঞ্জিনসহ ৬টি বগি নিয়ে পাবনা হতে ঈশ্বরদী পর্যন্ত চলাচল করবে। এছাড়াও পরবর্তিতে পাবনা-রাজশাহীর মধ্যে চলাচল করবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

১৪ জুলাই চলবে পাবনাবাসীর স্বপ্নের ট্রেন

প্রকাশিত : ০৪:১২:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুলাই ২০১৮

আগামী ১৪ জুলাই পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের ট্রেন চলাচলের স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। ঈশ্বরদী-পাবনা রুটে এই ট্রেন চলাচল শুরু হচ্ছে।

পাবনা পুলিশ লাইন মাঠে দুপুরে ঈশ্বরদী-পাবনা রুটে রেলপথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে, সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক চুল্লি বসানোর কাজের অর্থাৎ ফাস্ট কংক্রিট পোরিং ডেট বা এফসিডি কাজের উদ্বোধন করবেন।

বৃহস্পতিবার পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আসাদুল হক ঈশ্বরদী-পাবনা রেলপথ উদ্বোধনের বিষযটি নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর পাবনার কৃত্বি সন্তান ও বঙ্গবন্ধুর সহচর তদানিন্তন যোগাযোগমন্ত্রী শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী পাবনাবাসীর রেলপথের স্বপ্নের বিষযটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৪ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঈশ্বরদী-পাবনা হয়ে নগরবাড়ি পর্যন্ত রেলপথের প্রকল্প গ্রহণ করে জমি অধিগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাবনাবাসীর স্বপ্ন পূরণের জন্য প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করেন।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় নবাগত ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) নাজমুল ইসলাম জানান, ঈশ্বরদীর মাঝগ্রাম হতে ঢালারচর পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় নবনির্মিত ঈশ্বরদী-পাবনা রেল সেকশনে ২৫ কিলোমিটারে রেলপথের নির্মাণ প্রক্রিয়া, সেতু-কালভার্ট নির্মাণ, রেলগেট, রেলক্রসিং, ট্রেন চলাচলের সিগন্যাল ব্যবস্থা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। মোট ৭৮ কিলোমিটার নতুন রেললাইন। অবশিষ্ঠ ৫৩ কিলোমিটার দ্বিতীয় ধাপে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে শেষ হবে ।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে প্রকৌশলী (ডিএন-২) আরিফ আহম্মেদ জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফলক উন্মোচন করে উদ্বোধনের পর প্রথম ট্রেনটি ‘পাবনা এক্সপ্রেস’নামে চলবে। উদ্বোধনের সময় ইঞ্জিনসহ ৬টি বগি নিয়ে পাবনা হতে ঈশ্বরদী পর্যন্ত চলাচল করবে। এছাড়াও পরবর্তিতে পাবনা-রাজশাহীর মধ্যে চলাচল করবে।