গাজীপুরে তিন মাদকাসক্ত যুবকের গণধর্ষণের শিকার হয়েছে এক পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী (১২)। মাথা ব্যথার ওষুদের নামে অচেতন হওয়ার ওষুধ খাইয়ে গভীর রাতে ঘরের বেড়া কেটে বাইরে নিয়ে ওই ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে ওই তিন বখাটে।
সোমবার (৯ জুলাই) রাতে মহানগরীর টেকনগপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটলেও বুধবার (১১ জুলাই) ওই তিন জনের নামে জয়দেবপুর থানায় মামলা করেন তরুণীর মা। আসামিরা হলেন- রবিউল (৩০), সজিব (৩২) ও হাবিব (৩৫)।
কিশোরীর মা জানান, গত সোমবার রাতে তার মেয়ের মাথাব্যথা শুরু হলে বড় মেয়ের স্বামীকে দোকানে ওষুধ আনতে পাঠান। পথে অভিযুক্ত আসামিদের সঙ্গে দেখা হলে তারা বড় মেয়ের স্বামীকে জিজ্ঞাসা করে রাতে কোথায় যাচ্ছেন? ওই জামাই তাদের বলে শ্যালিকার হঠাৎ মাথাব্যাথা শুরু হয়েছে, তার জন্য ওষুধ আনতে যাচ্ছি। পরে ওই তিনজন জামাতাকে তাদের কাছে ওষুধ আছে বলে জানান। পরে ওই তিন বখাটের দেয়া ওষুধ তার মেয়েকে খাওয়ালে মেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে।
ওই কিশোরীর মা আরও জানান, এরপর রাত আনুমানিক আড়াইটায় ওই তিন বখাটে ঘরের বেড়া কেটে ঘরে প্রবেশ করে তার মেয়েকে ঘুমন্ত অবস্থায় ঘর থেকে বাহিরে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে জ্ঞান ফিরে আসলে তার মেয়ে চিৎকার দিলে বখাটেরা পালিয়ে যায়। গত মঙ্গলবার সকালে তার মেয়েকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ধর্ষকেরা মাদকাসক্ত। বখাটেরা বিষয়টি পুলিশকে না জানাতে এবং প্রকাশ না করার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে বলেও জানান ওই তরুণীর মা।
জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।




















