সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। রোববার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকে নিরাপত্তা সহযোগিতা, বিশেষ করে সন্ত্রাসবাদ দমনে সহযোগিতা, সীমান্ত হত্যা বন্ধ, অস্ত্র, মাদক ও অবৈধ মুদ্রা পাচারসহ আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনের বিষয়গুলো এই সফরে গুরুত্ব পাবে বলে জানা যায়।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, দুই প্রতিবেশী দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের ষষ্ঠ বৈঠকে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও কীভাবে বাড়ানো যায়, এ নিয়ে আলোচনা হবে। সন্ত্রাসবাদ দমনের বিষয়ে সহযোগিতা, বিশেষ করে তরুণদের উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করতে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা রোধের বিষয়ে দুই মন্ত্রী কথা বলবেন।
গত বছরের আগস্টের পর থেকে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়ায় তাদের উগ্রপন্থায় পরিচালিত করার ঝুঁকির বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। দুই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আলোচনায় এ প্রসঙ্গটি আসতে পারে।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশিদের হত্যা বন্ধের প্রসঙ্গটিও আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। এ ছাড়া বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আলোচনায় ভারত থেকে অপরাধী ও বন্দী প্রত্যর্পণের প্রসঙ্গটি তোলার কথা রয়েছে।
ভারতের পক্ষ থেকে গরু, অস্ত্র, গোলাবারুদ, মাদক পাচার বন্ধের পাশাপাশি অবৈধ ভারতীয় মুদ্রা পাচারের প্রসঙ্গগুলো আসতে পারে। এ ক্ষেত্রে আন্তসীমান্ত অপরাধ রোধে যেসব প্রক্রিয়া রয়েছে, তা আরও জোরালো করার কথা তুলতে পারে ভারত। বৈঠকে সংশোধিত ভ্রমণ চুক্তি ২০১৮ সই হওয়া কথা রয়েছে।
এর আগে গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক ও যমুনা ফিউচার পার্কে ভারতের নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন রাজনাথ সিং।
বিকেলেই দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যাবেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ২০১৬ সালের জুলাই মাসে নয়াদিল্লিতে সর্বশেষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হয়।

























