অভিনেত্রী শমী কায়সারকে এক ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টার মামলায় গত ৫ নভেম্বর গ্রেপ্তার করে উত্তরা পশ্চিম ও পূর্ব থানা পুলিশ। এরপরের দিন অভিনেত্রীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
বুধবার (৬ নভেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুজ্জামানের আদালতে রিমান্ড শুনানিতে এ কথা বলেন তিনি। শুনানি শেষে ব্যবসায়ীকে হত্যাচেষ্টার মামলায় অভিনেত্রীকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
এ ছাড়া গত ১৪ অক্টোবর মাগুরা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে বিভিন্ন সময় কটূক্তি করার অভিযোগেও শমী কায়সারের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা হয়।
এদিকে শেখ হাসিনাকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, আমি ফ্যাসিস্ট হাসিনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না। কোনো ধরনের অর্থ দেইনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটা অন্যায়। আমি কখনো কাউকে নিয়ে কটাক্ষ করিনি।
শমী কায়সারকে গ্রেপ্তারের পর ৬ নভেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অভিনেত্রীকে সাতদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন।
অন্যদিকে শমী কায়সারের রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন তার আইনজীবী। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত অভিনেত্রীর জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন ইশতিয়াক মাহমুদ নামে এক ব্যবসায়ী। উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের আজমপুর নওয়াব হাবিবুল্লাহ হাই স্কুলের সামনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ হামলা চালায় এবং গুলিবর্ষণ করে। এ সময় ইশতিয়াকের পেটে গুলি লাগে। তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর এ ঘটনায় বাদী হয়ে উত্তরা পূর্ব থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন ইশতিয়াক মাহমুদ। মামলায় সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল-মামুনসহ ১২৬ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় ২৪ নম্বর এজহারনামীয় আসামি শমী কায়সার।
বিজনেস বাংলাদেশ/ডিএস






















