০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ দিন ধরে নেই বিদ্যুৎ

চট্টগ্রামে আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ২ দিন নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। জেনারেটর থাকলে জেনারেটর চালু করতেছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কতৃপক্ষ। এতে বিশেষ করে শ্বাসরুদ্ধকর রোগীদের মাঝে দেখা দিয়ে আতংক।

জানা যায়, আনোয়ারা উপজেলায় বিভিন্ন শিল্পকারখানা স্থাপিত হাওয়ার পর থেকে চিকিৎসাসেবার একমাত্র ভরসা হচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি। এছাড়া বাঁশখালী, চন্দনাইশ,আনোয়ারা বিভিন্ন ইউনিয়নের অসুস্থ রোগীদের একমাত্র সম্বল হচ্ছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি।উপজেলা অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নতি হলে চিকিৎসা ক্ষেতে এখনো অবহেলিত বলে জানা যায়।

চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীরা জানান, ২ দিন ধরে হাসপাতালে বিদ্যুৎ নেই।জেনেরেটর থাকলে হাসপাতালে দায়িত্বশীলরা জেনারেটর চালু করতেছে না। ফলে অন্ধকারে চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে। মোবাইল লাইন জ্বালাইতে জ্বালাইতে মোবাইল বন্ধ হয়ে গেছে।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক হাসপাতালে দায়িত্বরা জানান – হাসপাতালে বিদ্যুৎ নেই।আইপিএস শেষ। জরুরি বিভাগে তীব্র শ্বাসকষ্টের একসাথে দুইটা ছিল।বিদ্যুৎ না থাকায় নেবুলাইজেশন করাতে পারতেছিল না। ডাক্তার মোবাইলের ফ্লাশ লাইট দিয়ে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন বিদ্যুৎ নেই কথাটি সঠিক নেয়।২ দিন ধরে আবহাওয় কারণে অতিরিক্ত লোডশেডিং ছিল।তবে আইপিএস চালু ছিল।জেনেরেটর এর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান হাসপাতালে থেকে জেনেরেটরের তেল জন্য বিল হয় না।তবে কোন যদি অপারেশন রোগী থাকে তাহলে জেনেরেটর চালু করা হয়। রোগীদের স্বজনরা যদি টাকা দেন তাহলে সারাদিন জেনারেটর চালু রাখা হবে।

রোগীদের এবং স্বজনরাদের অভিযোগ বিদ্যুৎ নেই, আইপিএস শেষ তারা অন্ধকারে চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে ।

ডিএস./

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ দিন ধরে নেই বিদ্যুৎ

প্রকাশিত : ১২:৪৬:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

চট্টগ্রামে আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ২ দিন নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। জেনারেটর থাকলে জেনারেটর চালু করতেছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কতৃপক্ষ। এতে বিশেষ করে শ্বাসরুদ্ধকর রোগীদের মাঝে দেখা দিয়ে আতংক।

জানা যায়, আনোয়ারা উপজেলায় বিভিন্ন শিল্পকারখানা স্থাপিত হাওয়ার পর থেকে চিকিৎসাসেবার একমাত্র ভরসা হচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি। এছাড়া বাঁশখালী, চন্দনাইশ,আনোয়ারা বিভিন্ন ইউনিয়নের অসুস্থ রোগীদের একমাত্র সম্বল হচ্ছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটি।উপজেলা অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নতি হলে চিকিৎসা ক্ষেতে এখনো অবহেলিত বলে জানা যায়।

চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীরা জানান, ২ দিন ধরে হাসপাতালে বিদ্যুৎ নেই।জেনেরেটর থাকলে হাসপাতালে দায়িত্বশীলরা জেনারেটর চালু করতেছে না। ফলে অন্ধকারে চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে। মোবাইল লাইন জ্বালাইতে জ্বালাইতে মোবাইল বন্ধ হয়ে গেছে।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক হাসপাতালে দায়িত্বরা জানান – হাসপাতালে বিদ্যুৎ নেই।আইপিএস শেষ। জরুরি বিভাগে তীব্র শ্বাসকষ্টের একসাথে দুইটা ছিল।বিদ্যুৎ না থাকায় নেবুলাইজেশন করাতে পারতেছিল না। ডাক্তার মোবাইলের ফ্লাশ লাইট দিয়ে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন বিদ্যুৎ নেই কথাটি সঠিক নেয়।২ দিন ধরে আবহাওয় কারণে অতিরিক্ত লোডশেডিং ছিল।তবে আইপিএস চালু ছিল।জেনেরেটর এর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান হাসপাতালে থেকে জেনেরেটরের তেল জন্য বিল হয় না।তবে কোন যদি অপারেশন রোগী থাকে তাহলে জেনেরেটর চালু করা হয়। রোগীদের স্বজনরা যদি টাকা দেন তাহলে সারাদিন জেনারেটর চালু রাখা হবে।

রোগীদের এবং স্বজনরাদের অভিযোগ বিদ্যুৎ নেই, আইপিএস শেষ তারা অন্ধকারে চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে ।

ডিএস./