কামার শিল্প একটি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক শিল্পকর্ম তারা লোহাকে কয়লায় পুড়িয়ে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল হিসেবে রুপ দেন দা,বটি,ছুরি,দামা,কাচি,কোদাল,চাপাতি ইত্যাদি এগুলা আমাদের নৃত্য প্রয়োজনীয় গৃহস্থালির কাজের হাতিয়ার পাশাপাশি বানিজ্যিক অনেক কাজেই প্রায় এগুলা অপরিহার্য বর্তমান কুরবানির ঈদে গরু,মহিষ,ভেড়া,ছাগল ইত্যাদি পশু জবাই করে রান্নার উপযোগী করার জন্য হাতিয়ার তৈরি বা মেরামতের উদ্দেশ্যে মুসলিম সম্প্রদায়ের স্বরনাপ্নন হওয়ার বিকল্প নেই বললেই চলে ফলে কামার পাড়ায় নতুন হাতিয়ার তৈরি এবং পুরাতন হাতিয়ার ধার করা বা মেরামত করার উপচে পড়া ভিড়।
কেশক কর্মকার কামার বলেন,ঈদ হিসেবে এখনো কাজ কম তবে গরু কেনার পর মানুষ বেশি ছুরি বটি এগুলা কিনবে,ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে কাজ তত বাড়বে ঈদের ১/২ দিন আগে কাজের চাপে পাগল হয়ে যাবো তখন ১০ টাকার কাজ ১৫ চাইলেও দিবে।
বেনু চন্দ্র দাস কামার বলেন,কাজ তো সারা বছর ই কম বেশি হয় কিন্তু এখন পরিশ্রম বেশি ২ পয়সা ইনকাম ও বেশি,ঈদের এক সপ্তাহ আগে থেকে কাজের চাপ বাড়ে এবং চাঁদ রাতে আমরা সারারাত কাজ করি।
মোঃ জুয়েল নামের এক ক্রেতা জনকন্ঠকে বলেন, আমি একটি ধামা কিনেছি,কামারদের এখন বিক্রি অনেক বেশি,স্বাভাবিক সময় থেকে একটু বেশি টাকা ও নিচ্ছে তারা কারন তাদের এখন প্রচুর কাজ সময় নাই হাতে,নরমালি যে মাল ৭০০ টাকা বিক্রি করে এখন সেটা ৯০০ থেকে ১০০০ টাকায় বিক্রি করে।
কামার পেশাটা প্রাচীন এবং গুরুত্বপূর্ণ হলেও বর্তমানে আধুনিকতার ছোড়ায় অনেক টা হারিয়ে যাচ্ছে এই শিল্প কেননা বাজারে চাইনিজ কিছু ছুরি চাপাতি এবং আরএফএল গ্রুপের এই পণ্য গুলা পাওয়া যাচ্ছে ফলে কুরবানির ঈদের সময় ছাড়া সারা বছর কামারদের এগুলা তৈরির প্রয়োজনীয় উপাদানের মূল্য বৃদ্ধির ফলে লাভাংশ কমে গেছে তাই অনেকেই এই পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় ঢুকছেন।
ডিএস./




















