০৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাতকানিয়া কেরানীহাটে ২য়দফায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেন এসিল্যান্ড

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া কেরানীহাট কাঁচা বাজার থেকে সাতকানিয়া রাস্তার মাথা পর্যন্ত সড়কের দুপাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছেন সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনী।

বুধবার (১৮ই জুন) দুপুর ০১.৩০ টা থেকে সন্ধ্যা ০৬:৩০ টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করেন সাতকানিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারিস্তা করিম। এই সময় সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর, দোহাজারী বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ হানিফ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও উচ্ছেদ অভিযানে সাতকানিয়া সেনাবাহিনী ক্যাম্পে দায়িত্বরত ক্যাপ্টেন পারভেজ এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীসহ, পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

কেরানীহাটের ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা বলেন,সাহসীকতার সাথে সুন্দর একটি অভিযান পরিচালনা করেছেন প্রশাসন। ১৮ বছর পর প্রশাসনের এটি ছিল সবচেয়ে বড় উচ্ছেদ অভিযান। অভিযানে খুশি দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি কেরানিহাটবাসী। তবে স্থানীয়রা অনেকেই জানিয়েছেন রাজনৈতিক কোন প্রভাব না থাকায় সুন্দর নিখুঁত একটি অভিযান পরিচালনা করেছেন প্রশাসন, এতে করে দীর্ঘ যানজট অনেকটা কমে আসবে বলে আমরা মনে করেন তারা,
তারা বলেন,কোন দলের রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়া উন্নয়নের এখনই সময় যত দ্রুত সম্ভব কেরানীহাটের সৌন্দর্য রক্ষার্থে নালার কাজ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, বাস টার্মিনাল সহ উন্নয়নের কার্যক্রম দ্রুত সময়ে শেষ করার দাবী জানিয়েছেন তারা।

অভিযানে কয়েক শতাধিক অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করে বুল‌ডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

মহাসড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে স্থাপনা ও দোকানপাট গড়ে তোলায় প্রতিনিয়ত যানজট ও সাধারণ পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের একটি দাবী ছিল কেরানীহাটকে যানজট মুক্ত করার। জনগণের দাবীর প্রেক্ষিতে মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করে কেরানীহাটকে যানজট মুক্ত করতে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।

অভিযান শেষে সাতকানিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারিস্তা করিম বলেন,গত শনিবার কেরানীহাটে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করার পর কিছু কিছু দোকান আবারো বসে যায়, গতকাল আমরা মাইকিং এর মাধ্যমে সতর্ক করেছি স্বেচ্ছায় যারা অবৈধ দোকান সরিয়ে নিতে চায় তাদেরকে সময় দিয়েছি, যারা ছিল তাদেরকে আজকে উচ্ছেদ করছি এবং পুনরায় এসব অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানান তিনি।

ডিএস./

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

সাতকানিয়া কেরানীহাটে ২য়দফায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করলেন এসিল্যান্ড

প্রকাশিত : ০২:৪২:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া কেরানীহাট কাঁচা বাজার থেকে সাতকানিয়া রাস্তার মাথা পর্যন্ত সড়কের দুপাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছেন সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনী।

বুধবার (১৮ই জুন) দুপুর ০১.৩০ টা থেকে সন্ধ্যা ০৬:৩০ টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করেন সাতকানিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারিস্তা করিম। এই সময় সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর, দোহাজারী বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ হানিফ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও উচ্ছেদ অভিযানে সাতকানিয়া সেনাবাহিনী ক্যাম্পে দায়িত্বরত ক্যাপ্টেন পারভেজ এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীসহ, পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

কেরানীহাটের ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা বলেন,সাহসীকতার সাথে সুন্দর একটি অভিযান পরিচালনা করেছেন প্রশাসন। ১৮ বছর পর প্রশাসনের এটি ছিল সবচেয়ে বড় উচ্ছেদ অভিযান। অভিযানে খুশি দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি কেরানিহাটবাসী। তবে স্থানীয়রা অনেকেই জানিয়েছেন রাজনৈতিক কোন প্রভাব না থাকায় সুন্দর নিখুঁত একটি অভিযান পরিচালনা করেছেন প্রশাসন, এতে করে দীর্ঘ যানজট অনেকটা কমে আসবে বলে আমরা মনে করেন তারা,
তারা বলেন,কোন দলের রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়া উন্নয়নের এখনই সময় যত দ্রুত সম্ভব কেরানীহাটের সৌন্দর্য রক্ষার্থে নালার কাজ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, বাস টার্মিনাল সহ উন্নয়নের কার্যক্রম দ্রুত সময়ে শেষ করার দাবী জানিয়েছেন তারা।

অভিযানে কয়েক শতাধিক অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করে বুল‌ডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

মহাসড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে স্থাপনা ও দোকানপাট গড়ে তোলায় প্রতিনিয়ত যানজট ও সাধারণ পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের একটি দাবী ছিল কেরানীহাটকে যানজট মুক্ত করার। জনগণের দাবীর প্রেক্ষিতে মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করে কেরানীহাটকে যানজট মুক্ত করতে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।

অভিযান শেষে সাতকানিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারিস্তা করিম বলেন,গত শনিবার কেরানীহাটে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করার পর কিছু কিছু দোকান আবারো বসে যায়, গতকাল আমরা মাইকিং এর মাধ্যমে সতর্ক করেছি স্বেচ্ছায় যারা অবৈধ দোকান সরিয়ে নিতে চায় তাদেরকে সময় দিয়েছি, যারা ছিল তাদেরকে আজকে উচ্ছেদ করছি এবং পুনরায় এসব অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানান তিনি।

ডিএস./