বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুনির্দ্দিষ্ট দিক নির্দশনায় কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির তৃণমুল পর্যায় ব্যাপক শক্তিশালী রূপধারণ করেছে। যে কারণেয় পূর্বের চেয়ে বর্তমান বিএনপি আরো সুসংগঠিত । কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠন করে কুতুব উদ্দিন আহম্মেদকে আহবায়ক এবং প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্যের জেলা আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
এই আহবায়ক কমিটি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে জেলা বিএনপির সম্মেলন সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে ওয়ার্ড থেকে ইউনিয়ন, উপজেলা, পৌর কমিটি গঠন কল্পে স্বঃষ্ফুর্তভাবে সম্মেলনের মধ্য দিয়ে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য (মিরপুর – ভেড়ামার) কুষ্টিয়া-২ বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক শহীদুল ইসলামের নেতৃত্বে মিরপুর উপজেলা বিএনপির সব কয়টি ইউনিটের সম্মেলন স্বঃষ্ফুর্তভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া দৌলতপুর, ভেড়ামারা, কুমারখালী, খোকসা ও কুষ্টিয়া সদর দুই এক দিনের মধ্যেই সম্মেলন সম্পন্ন করেই জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ সার্বক্ষনিক সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে।
তবে বড় দল হলেই নেতাকর্মীদের মাঝে একটু বিরোধ থেকেয় যায়। কারণ যোগ্যতা থাক আর না থাক সবায় নেতা হবার স্বপ্ন দেখে। ১৫ বছর আগে বিএনপি থেকে আওয়ামীলীগে যোগদানকারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ চক্র সে সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর অমানুষিক নির্যাতন করে ঘরছাড়া করেছিল। তারাই এখন আবার অর্থের বিনিময়ে সুকৌশলে বিএনপিতে প্রবেশ করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তারেক রহমানের কঠিন হুশিয়ারী এবং জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ এবং সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারের বলিষ্ট নেতৃত্বে ওই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী চক্্র দলে প্রবেশ করতে বাঁধা গ্রস্ত হয়ে এখন আবার নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
বিএনপি নেতা তাজিম আহমেদ বলেন, আগে বিএনপিতে নানা সমস্য বিরাজ করলেও তার কোন সঠিক সমাধান পায়নি। দলের মধ্যে এক নায়কতন্ত্র কায়েম করে দল চলেছিল। এখন আমরা তা দেখতে পাচ্ছি না। এখন ভোটের মাধ্যমে নেতা তৈরী হওয়ায় কর্মীরা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে । সবায় সবায়কে মূল্যায়ন করতে হচ্ছে।
বিএনপির আরেক নেতা টমাস বলেন, আমরা ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করতে পেরে ভালো লাগছে। তবে একটি দুষ্ট চক্র দলের মধ্যে আওয়ামীলীগ ফ্যাসিস্টদেরকে প্রবেশ করাতে মরিয়া। আমরা জেলা বিএনপিকে জানিয়েছি যাতে করে ওই সব আওয়ামী ফ্যাসিস্টদেরকে কেউ দলে প্রবেশ করাতে না পারে। জেলা বিএনপিও এসব বিষয়ে অনড় রয়েছে। আমরা শান্তিপূর্ন ভাবে বিএনপির নির্যাতিত নেতাকর্মীদেরকে নিয়ে সম্মেলনের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করছি। যা অতীতে কোন সময় কোন নেতার দ্বারা এই কাজ করা সম্ভব হয়নি। সব সময় পকেট কমিটি গঠন করেছিল পূর্বের নেতারা। বর্তমান জেলা বিএনপি সঠিকভাবে নেতা নির্বাচন করার লক্ষে ভোটার তালিকা প্রনয়নের মধ্যদিয়ে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে এতে করে নেতা কর্মীরা যেমন সন্তুষ্ট তেমনি তৃনমুল বিএনপি আরো শক্তিশালী হচ্ছে।
এ দিকে একটি চক্ত জেলা বিএনপির বিরুদ্ধে বিভ্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করে প্রশ্ন বৃদ্ধ করার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। ওই সব সংবাদ দেখে বিএনপির তৃণমুল নেতারা ক্ষোভ প্রকাশও করেছেন।
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার বলেন, আমরা জেলা বিএনপির দায়িত্ব নেয়ার পর গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোটের মাধ্যমে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, পৌর ও উপজেলা বিএনপির নেতা নির্বাচন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। এই কার্যক্রমের ৯৫% শেষ হয়েছে। আর যে কয়টি আছে তাও ২/১ দিনের মধ্যে শেষ হবে। এর পর জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এখানেও গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত হবে। যদি দলীয় নেতা কর্মীরা আমাকে ভোট দেন তবে আমি নির্বাচিত হবো। আগের মতো কনোক্রমেই পকেট কমিটি হবে না।
ডিএস./




















