অন্য জেলা থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশা করে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে খুচরায় পণ্য কিনে প্রতারণায় জাল টাকা চালাতো একটি চক্র। ৫৩ হাজার জাল টাকা সহ এমনই একটি চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পাবনা র্যাব। রবিবার (২২ জুন) বিকেল ৫ টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার বৃহস্পতিপুর মাজার বটতলা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। সোমবার (২৩ জুন) র্যাবের পক্ষ থেকে দেয়া এক প্রেস রিলিজে এতথ্য জানানো হয়। এসময় তাদের বহনকারী সিএনজি চালিত অটোরিকশা, সাথে থাকা ৩ টি বাটন মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা জব্দ করে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার দ্বারিয়াপুরের রিকাত শেখের ছেলে সবুজ শেখ (৩২), কাংলাকান্দা এলাকার সেলিম ফকিরের ছেলে সবুজ ফকির (৩৩), জুজ্ঞীদহ এলাকার রাজ্জাক মোল্লার ছেলে আতিক মোল্লা (২৩) ও দ্বারিয়াপুর কান্দাপাড়ার মৃত তারা প্রামানিকের ছেলে শাহিদুল প্রামানিক (৪০)। তারা পেশাদার জাল টাকা ব্যবসায়ী বলে জানায় র্যাব।
প্রেস রিলিজ বলছে, তারা দীর্ঘদিন সিএনজি চালিত অটোরিকশা করে পাশ্ববর্তী জেলা সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে পাবনায় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে খুচরা দোকান থেকে বিভিন্ন পণ্য কিনে এর মূল্য হিসেবে ৫০০ বা ১০০০ হাজার টাকার জাল নোট দিতো। সর্বোচ্চ তারা এক থেকে দেড়শো টাকার জিনিস কিনতো। কিন্তু দোকানিকে দিতো হাজার টাকার নোট। এভাবেই তারা জাল টাকা ভাঙতি করে আসল বানাতো। সবশেষ রবিবার তারা পাবনায় ঢুকেছে এবং আতাইকুলার বৃহস্পতিপুর এলাকায় অবস্থান করছে বলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এব্যাপারে পাবনা র্যাবের কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান বলেন, কোরাবনি ঈদের আগেই তারা পাবনায় যাতায়াত শুরু করে। উদ্দেশ্য ছিলো- গরুর হাটে ভীড়ের মধ্যে গরু ও অন্যান্য জিনিস কিনে জাল টাকা চালানো। কিন্তু হাট ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনের তৎপরতায় এক্ষেত্রে তেমন সফলতা না পেলেও পাবনার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে এই টাকা চালাচ্ছিলো। মূলত তারা এই জাল টাকা টাঙ্গাইল সহ বিভিন্ন জেলা থেকে সংগ্রহ করে থাকে।
তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিরা এসব বিষয়ে স্বীকারোক্তিও দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করে তাদের আতাইকুলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডিএস./




















