০১:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফরিদপুরে মাদকের হাট বাজারের যৌথবাহিনী অভিযান

রেলওয়ে বস্তি আইন প্রশাসন মাঝে মাঝে স্থানটিতে অভিযান করলে কিছু দিন সান্ত থাকার পর আবার সব আগের মত চলতে থাকে। ফরিদপুরের রাজনৈতিক নেতা বলেন, আর আইন প্রশাসন বলেন কেউ থামতে পারেনি এই চক্রটিকে।

অবশেষে ২৬ জুন রাত ৮টায়, আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে ১৫ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন ও পুলিশ যৌথভাবে একটি বিশেষ অভিযান দল অভিযান করে মাদক সম্রাজ্ঞী শিল্পী চক্রের ১৫ জনকে বিপুল পরিমাণ মাদক, দেশীয় অস্ত্র ও অন্যান্য অপরাধ সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম সহ আটক করা হয়।

সেনাবাহিনীর সূত্র জানাযায়, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ফরিদপুর আর্মি ক্যাম্পে গুহ লক্ষ্মীপুর রেলওয়ে বস্তি এলাকায় চলমান মাদক পাচার, জোরপূর্বক দখলদারিত্ব এবং স্থানীয় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ে একাধিক অভিযোগ জমা হয়।

গোপন সূত্রে তথ্য পাওয়া যায়, শিল্পী বেগম ও তার পরিবার দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় একটি সুসংগঠিত মাদক নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে চলছে। যেখানে নারীদের ব্যবহার করে প্রকাশ্যে ইয়াবা, গাঁজা ও হেরোইন বিক্রি করানো হয়।

শুধু তাই নয় মাদক কারবারি শিল্পীর সঙ্গে ভারতীয় মাদক পাচার চক্রের সরাসরি যোগ সূত্র রয়েছেএবং ভারত থেকে গাঁজা এনে এই এলাকায় সরবরাহ করে একটি অবৈধ অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছিল।

অভিযানে তাৎক্ষণিকভাবে ৭ জনকে হাতেনাতে মাদক বিক্রির সময় আটক করা হয়। এরপর এলাকাজুড়ে তল্লাশি ও শিল্পীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শিল্পী সহ আরও ৮ জনকে আটক করা হয়।

এ সময় শিল্পীর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, দেশীয় ধারালো অস্ত্র এবং মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সামগ্রীতে রয়েছে ৪৫.৫ কেজি গাঁজা, ৩৩৭টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ২১১টি হেরোইনের প্যাকেট, ৬১টি দেশীয় অস্ত্র, ২টি বিদেশি মদের বোতল, ৯টি ফিচার ফোন এবং ১০টি অ্যান্ড্রয়েড ফোন।
আটককৃত ১৫ জনকে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ হতে জানায়ায়, অবৈধ অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে সেনাবাহিনী। অপরাধ দমনে সেনা ক্যাম্পসমূহকে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের মাধ্যমে সহায়তা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ডিএস./

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

ফরিদপুরে মাদকের হাট বাজারের যৌথবাহিনী অভিযান

প্রকাশিত : ০৪:০৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

রেলওয়ে বস্তি আইন প্রশাসন মাঝে মাঝে স্থানটিতে অভিযান করলে কিছু দিন সান্ত থাকার পর আবার সব আগের মত চলতে থাকে। ফরিদপুরের রাজনৈতিক নেতা বলেন, আর আইন প্রশাসন বলেন কেউ থামতে পারেনি এই চক্রটিকে।

অবশেষে ২৬ জুন রাত ৮টায়, আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে ১৫ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন ও পুলিশ যৌথভাবে একটি বিশেষ অভিযান দল অভিযান করে মাদক সম্রাজ্ঞী শিল্পী চক্রের ১৫ জনকে বিপুল পরিমাণ মাদক, দেশীয় অস্ত্র ও অন্যান্য অপরাধ সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম সহ আটক করা হয়।

সেনাবাহিনীর সূত্র জানাযায়, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ফরিদপুর আর্মি ক্যাম্পে গুহ লক্ষ্মীপুর রেলওয়ে বস্তি এলাকায় চলমান মাদক পাচার, জোরপূর্বক দখলদারিত্ব এবং স্থানীয় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ে একাধিক অভিযোগ জমা হয়।

গোপন সূত্রে তথ্য পাওয়া যায়, শিল্পী বেগম ও তার পরিবার দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় একটি সুসংগঠিত মাদক নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে চলছে। যেখানে নারীদের ব্যবহার করে প্রকাশ্যে ইয়াবা, গাঁজা ও হেরোইন বিক্রি করানো হয়।

শুধু তাই নয় মাদক কারবারি শিল্পীর সঙ্গে ভারতীয় মাদক পাচার চক্রের সরাসরি যোগ সূত্র রয়েছেএবং ভারত থেকে গাঁজা এনে এই এলাকায় সরবরাহ করে একটি অবৈধ অর্থনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছিল।

অভিযানে তাৎক্ষণিকভাবে ৭ জনকে হাতেনাতে মাদক বিক্রির সময় আটক করা হয়। এরপর এলাকাজুড়ে তল্লাশি ও শিল্পীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শিল্পী সহ আরও ৮ জনকে আটক করা হয়।

এ সময় শিল্পীর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, দেশীয় ধারালো অস্ত্র এবং মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সামগ্রীতে রয়েছে ৪৫.৫ কেজি গাঁজা, ৩৩৭টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ২১১টি হেরোইনের প্যাকেট, ৬১টি দেশীয় অস্ত্র, ২টি বিদেশি মদের বোতল, ৯টি ফিচার ফোন এবং ১০টি অ্যান্ড্রয়েড ফোন।
আটককৃত ১৫ জনকে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ হতে জানায়ায়, অবৈধ অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে রয়েছে সেনাবাহিনী। অপরাধ দমনে সেনা ক্যাম্পসমূহকে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের মাধ্যমে সহায়তা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ডিএস./