টাঙ্গাইল শহরের কান্দাপাড়া যৌনপল্লীতে আগুনে পুড়ে তিনটি বাড়ির ২২ টি ঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। শনিবার বেলা ১১ টায় দিকে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এতে যৌনকর্মীরা নিঃস্ব হয়েছেন। তারা সরকারি সহযোগিতা কামনা করেছেন। প্রায় ১ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
দুপুর ১২ টার দিকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবালের নেতৃত্বে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্তদের শান্তনা দেয়ার পাশাপাশি তাদের সহযোগিতার আশ^াস দেন তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ১১ টার দিকে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত। তা মুহুর্তের মধ্যে আশপাশের বাড়ি ও কক্ষে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বাসিন্দাতের জামা কাপড়, আসবাব পত্র, নগদ টাকাসহ অন্যান্য সরাঞ্জাম পুড়ে ছাই হয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এতে কোন হতাহতোর ঘটনা ঘটেনি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিন জন যৌনকর্মী বলেন,ক্ষতিগ্রস্তরা বলছেন, এক ঘন্টার আগুনে তার সব পুড়ে ছাই হয়েছে। আগামী কিভাবে দিন পার করবেন, তা নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় রয়েছি। ঘুমানোর খাট, রান্না করার চুলা, হাড়ি পাতিল, প্লেট, নগদ টাকা পুড়ে ছাই হয়েছে। বাথরুমের মোটর, পানির ট্যাংকসহ যা ছিলো সবই ছাই হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার দাবি করেন তারা।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার এসএম হুমায়ন কার্নায়েল বলেন, বেলা সোয়া ১১ টার দিকে আমরা খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে আসি। প্রথমে দুইটি ইউনিট নিয়ে কাজ শুরু করলেও পরবর্তীতে চারটি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পাশে পুকুরে পর্যাপ্ত পানি ও স্থানীয়রা সহযোগিতা করায় আধা ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। দিনের বেলায় ঘটনাটি হওয়ায় সহজেই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। রাতে হলে এটি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমসিম খেতে হতো।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করতেছি, আগুন গ্যাস সিলিন্ডার থেকে লেগেছে। আনুমানিক ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
ডিএস./




















