১১:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দুটিপা হারিয়ে পঙ্গু হৃদয়, চিকিৎসা থেমে গেছে অভাবের তাড়নায়

সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার ব্রাহ্মণ গ্রামের দিনমজুর হৃদয় হোসেন (১৮) এখন পঙ্গু।

জীবিকার তাগিদে নদীপথে যাত্রী আনতে গিয়ে দুর্ঘটনায় তার দুটি পা ভেঙে যায়। বর্তমানে চিকিৎসার খরচ চালাতে না পারায় থেমে গেছে তার চিকিৎসা। অসহায় হৃদয়ের পরিবার এখন সমাজের সহৃদয় মানুষদের সহযোগিতার অপেক্ষায়।

 

গত রোজার ঈদের আগের দিন হৃদয় নারায়ণগঞ্জ একটি নৌকায় কাজ করতে যান। কাজ করতে গিয়ে অজান্তে নৌকার চলন্ত মেশিনের কাছে গেলে সেটির সঙ্গে পেঁচিয়ে গুরুতরভাবে আহত হন। মেশিনের ঘূর্ণির ধাক্কায় তার দুটি পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

 

দুর্ঘটনার পরপরই তার ছোট চাচা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু কয়েকদিন চিকিৎসা চলার পর আর্থিক সংকটের কারণে সেই চিকিৎসা মাঝপথেই বন্ধ হয়ে যায়।
হৃদয় হোসেনের বাবা নুর ইসলাম (৫৫) জীবিত থাকলেও সংসারে তাঁর তেমন কোনো উপার্জন নেই। দুই ভাই, এক বোন, মা ও বৃদ্ধ বাবাকে নিয়ে তাদের অভাবী সংসার দীর্ঘদিন ধরেই নানা সংকটে জর্জরিত। হৃদয়ের এই দুর্ঘটনা তাদের জীবনে এক নতুন দুর্যোগ হয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে হৃদয় শয্যাশায়ী। তার চিকিৎসা জন্য প্রয়োজন প্রয়োজনীয় অর্থ ও সহানুভূতিশীল সমাজের সাহায্য। হৃদয়ের পরিবার সকলের কাছে সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়েছেন।

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

দুটিপা হারিয়ে পঙ্গু হৃদয়, চিকিৎসা থেমে গেছে অভাবের তাড়নায়

প্রকাশিত : ০৭:৪৯:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার ব্রাহ্মণ গ্রামের দিনমজুর হৃদয় হোসেন (১৮) এখন পঙ্গু।

জীবিকার তাগিদে নদীপথে যাত্রী আনতে গিয়ে দুর্ঘটনায় তার দুটি পা ভেঙে যায়। বর্তমানে চিকিৎসার খরচ চালাতে না পারায় থেমে গেছে তার চিকিৎসা। অসহায় হৃদয়ের পরিবার এখন সমাজের সহৃদয় মানুষদের সহযোগিতার অপেক্ষায়।

 

গত রোজার ঈদের আগের দিন হৃদয় নারায়ণগঞ্জ একটি নৌকায় কাজ করতে যান। কাজ করতে গিয়ে অজান্তে নৌকার চলন্ত মেশিনের কাছে গেলে সেটির সঙ্গে পেঁচিয়ে গুরুতরভাবে আহত হন। মেশিনের ঘূর্ণির ধাক্কায় তার দুটি পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

 

দুর্ঘটনার পরপরই তার ছোট চাচা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু কয়েকদিন চিকিৎসা চলার পর আর্থিক সংকটের কারণে সেই চিকিৎসা মাঝপথেই বন্ধ হয়ে যায়।
হৃদয় হোসেনের বাবা নুর ইসলাম (৫৫) জীবিত থাকলেও সংসারে তাঁর তেমন কোনো উপার্জন নেই। দুই ভাই, এক বোন, মা ও বৃদ্ধ বাবাকে নিয়ে তাদের অভাবী সংসার দীর্ঘদিন ধরেই নানা সংকটে জর্জরিত। হৃদয়ের এই দুর্ঘটনা তাদের জীবনে এক নতুন দুর্যোগ হয়ে এসেছে।

 

বর্তমানে হৃদয় শয্যাশায়ী। তার চিকিৎসা জন্য প্রয়োজন প্রয়োজনীয় অর্থ ও সহানুভূতিশীল সমাজের সাহায্য। হৃদয়ের পরিবার সকলের কাছে সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়েছেন।