শেরপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট নরেশ চন্দ্র দে (৭০) বছর বয়সে কিডনিজনিত সমস্যায় তিনি ২৮ জুন শনিবার দ ভোরে দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার এলাকায় ছেলের বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি ২ পুত্র, ১ কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। একইদিন বিকেলে স্থানীয় একটি শ্মশানে তার লাশ দাহ করা হয়।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) সকাল ৮.৩০ মিনিটের দিকে শেরপুর পৌর শহরস্থ শ্রী শ্রী প্যারী মোহন জিউর মন্দিরে প্রয়াত নরেশ চন্দ্র দের একমাত্র কন্যা শিক্ষিকা মনা রানী দের তার পিতার পরলোকের আত্মার শান্তি কামনার জন্য ছোটভাই , জামাতা, কন্যাসহ বহু আত্নীয়-স্বজন জেলা আইনজীবী, বীর মুক্তিযোদ্ধারা, এলাকাবাসি ২থেকে ৩ শতাব্দি লোক উপস্থিত থেকে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রয়াত নরেশ চন্দ্র দে’র জামাতা অনুপ কুমার শেঠ জানান, এ্যাডভোকেট নরেশ চন্দ্র দে স্ত্রীর মৃত্যুর পর থেকে অবসর জীবনের বেশিরভাগ সময় কোচবিহারের বসবাসকারী ২ পুত্র পরেশ চন্দ্র দে ও দেবেশ চন্দ্র দেসহ তাদের পরিবারের সাথে কাটাতেন। নানা জটিল রোগে চিকিৎসা নিতে বেশ কিছুদিন যাবত তিনি সেখানেই অবস্থান করছিলেন। শেরপুরে অবস্থানকালে তিনি একমাত্র কন্যা শিক্ষিকা মনা রাণী দে’র কাছে থাকতেন।
জানা যায়, শেরপুর শহরের মধ্য গৌরীপুর মহল্লার অধিবাসী এ্যাডভোকেট নরেশ চন্দ্র দে প্রথম জীবনে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভূক্ত হলেও পরবর্তীতে তিনি সরকারিতে যোগ দেন। অবসরের পর ফের আইন পেশায় ফিরে যান। সেই সুবাদে তিনি দীর্ঘ সময় এপিপি ও এজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ডিএস./




















