০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সীতাকুণ্ডে টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, ঘরবাড়ী ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাহত জনজীবন

টানা বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা। কয়েকদিনের একটানা ভারী বর্ষণে উপজেলার শহরাঞ্চল থেকে শুরু করে গ্রামীণ এলাকাগুলো পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে গেছে। ডুবে গেছে বাসাবাড়ীর নিচতলা ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো, ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সকালে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার সৈয়দপুর, মুরাদপুর, বারৈয়াঢালা ও পৌরসভার নামার বাজার সড়ক, আমিরাবাদসহ একাধিক এলাকায় পানির উচ্চতা কয়েক ফুট পর্যন্ত পৌঁছেছে। এসব এলাকার সড়ক ও নিচু বসতবাড়ীতে পানি ঢুকে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। ভারী বর্ষণে অনেকের পুকুরের মাছ ও প্রজেক্টের মাছ ভেসে গেছে, এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে শত শত মাছ চাষী।

স্থানীয়রা বলছেন, সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরী হয়, তবে এবারের পরিস্থিতি অতীতের চেয়ে অনেক বেশী ভয়াবহ। একটানা প্রচণ্ড বৃষ্টিতে পানি জমে গিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশী দুর্ভোগে পড়েছেন স্কুলগামী শিক্ষার্থী, অফিসমুখী কর্মজীবী মানুষ ও নিম্নআয়ের দিনমজুর শ্রেণী।

গ্রামীণ এলাকার পরিস্থিতি আরও করুণ। অনেক কাঁচা সড়ক পানির চাপে ধসে গেছে, বিভিন্ন বাড়ীতে পানি ঢুকে পড়েছে, কোথাও কোথাও গবাদি পশু ও শস্যেরও ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সীতাকুণ্ডে দায়িত্বরত আবহাওয়া সহকারী মোঃ ইমরান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টায়ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে, ফলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

ডিএস./

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

সীতাকুণ্ডে টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, ঘরবাড়ী ও রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাহত জনজীবন

প্রকাশিত : ০৫:৩৮:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

টানা বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা। কয়েকদিনের একটানা ভারী বর্ষণে উপজেলার শহরাঞ্চল থেকে শুরু করে গ্রামীণ এলাকাগুলো পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে গেছে। ডুবে গেছে বাসাবাড়ীর নিচতলা ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো, ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) সকালে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার সৈয়দপুর, মুরাদপুর, বারৈয়াঢালা ও পৌরসভার নামার বাজার সড়ক, আমিরাবাদসহ একাধিক এলাকায় পানির উচ্চতা কয়েক ফুট পর্যন্ত পৌঁছেছে। এসব এলাকার সড়ক ও নিচু বসতবাড়ীতে পানি ঢুকে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। ভারী বর্ষণে অনেকের পুকুরের মাছ ও প্রজেক্টের মাছ ভেসে গেছে, এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে শত শত মাছ চাষী।

স্থানীয়রা বলছেন, সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরী হয়, তবে এবারের পরিস্থিতি অতীতের চেয়ে অনেক বেশী ভয়াবহ। একটানা প্রচণ্ড বৃষ্টিতে পানি জমে গিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশী দুর্ভোগে পড়েছেন স্কুলগামী শিক্ষার্থী, অফিসমুখী কর্মজীবী মানুষ ও নিম্নআয়ের দিনমজুর শ্রেণী।

গ্রামীণ এলাকার পরিস্থিতি আরও করুণ। অনেক কাঁচা সড়ক পানির চাপে ধসে গেছে, বিভিন্ন বাড়ীতে পানি ঢুকে পড়েছে, কোথাও কোথাও গবাদি পশু ও শস্যেরও ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সীতাকুণ্ডে দায়িত্বরত আবহাওয়া সহকারী মোঃ ইমরান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টায়ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে, ফলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

ডিএস./