০৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টে চালু হচ্ছে বিচারিক হেল্পলাইন- ডা আজিজ আহমেদ ভূইয়া

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট আয়োজিত সুপ্রীম কোর্ট ও ইউএনডিপির যৌথ অংশীদারিত্বে ও সুইডেন দূতাবাসের সহযেগিতায় “Strengthening Investigative Journalism for Law & Justice Reporters” শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

রেজিস্ট্রার জেনারেল (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) সুপ্রীম কোর্ট, বাংলাদেশ ড. আজিজ আহমেদ ভূঞা কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জনসাধারণের নিকট বিচারিক সেবা প্রদানের জন্য মাননীয় প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ প্রস্তাবিত আইনি সংস্কার বিষয়ে রোডম্যাপ বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম মহানগর ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাসমূহের আইন বিটের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিকদের প্রতি সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। জনগণের আইনি অধিকার নিশ্চিত করতে রিপোর্টিং এর কার্যকর দিক নিয়ে কর্মশালায় ফলপ্রসূ করণকৌশল নির্ধারিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহম্মদ হিরুজ্জামান এনডিসি-এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ নুরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক এবং ইউএনডিপির আইনের শাসন, বিচার এবং নিরাপত্তা বিষয়ক সিনিয়র উপদেষ্টা মিজ রোমানা শোয়েগার।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মো. মারুফ নাওয়াজ তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে, “আইনি ও ন্যায়বিচার সম্পর্কিত সংবাদ পরিবেশনকারী সাংবাদিকদের গুরুত্বের কথা বলেন।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বলেন, দেশের বিদ্যামান আইনি কাঠামোকে শক্তিশালী করতে আইন প্রতিবেদকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি গণমাধ্যমকর্মী ও আইন প্রতিবেদকদের ভূমিকা চলমান আইনি সংস্কার কার্যক্রমে সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রোমানা শোয়েগার বলেন “আইন ও বিচার বিষয়ক সাংবাদিকরা জনগণ ও বিচার বিভাগের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করেন। তিনি আরো বলেন, “সাংবাদিকতা জনগণের আস্থা গড়ে তোলায় এবং বিচার বিভাগের কার্যক্রম জনগণ যেন অনুসরণ করতে পারে তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে চালু হচ্ছে বিচারিক হেল্পলাইন, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আয়োজিত কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. আজিজ আহমেদ ভূঁইয়া।

রোববার (২০ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় “বিচার সাংবাদিকদের জন্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা জোরদারকরণ” শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, “প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নির্দেশে ২০২৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর এই হেল্পলাইন চালু করা হয়। প্রথমে এটি শুধুমাত্র অফিস সময়ের মধ্যে (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত) চালু ছিল।”

বর্তমানে সহকারী রেজিস্ট্রারদের মাধ্যমে পরিচালিত এই হেল্পলাইন থেকে সরাসরি ফোনের মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে সার্বক্ষণিক হেল্পলাইন কার্যকর হলে বিচারপ্রার্থীদের জন্য সেবাগ্রহণ সহজতর হবে বলে জানান রেজিস্ট্রার জেনারেল।

আলোচনায় তিনি বিচার বিভাগের কাঠামোগত সংস্কার নিয়েও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে। প্রস্তাবটিতে রয়েছে একটি খসড়া অধ্যাদেশ, সাংগঠনিক কাঠামো এবং প্রয়োজনীয় বিধিবিধান সংশোধনের সুপারিশ।”

প্রস্তাবিত জুডিশিয়াল সেক্রেটারিয়েট গঠিত হলে অধস্তন আদালতের বিচারকদের পদায়ন, বদলি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাবিষয়ক সব প্রশাসনিক কার্যক্রম সুপ্রিম কোর্টের নিয়ন্ত্রণে আসবে, যা বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হয়। এটি বাস্তবায়িত হলে বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কর্মশালায় রেজিস্ট্রার জেনারেল আরও বলেন, “বিচার বিভাগ ও গণমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বিচার বিভাগের দুর্বলতা চিহ্নিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

কর্মশালাটি আয়োজন করে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (ঘওগঈ), সহযোগিতায় সুপ্রিম কোর্ট ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (টঘউচ), এবং সমর্থনে সুইডিশ দূতাবাস। এতে সভাপতিত্ব করেন ঘওগঈ-এর মহাপরিচালক মো. হিরুজ্জামান।

কর্মশালা পরিচালক এবং জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক তানজিম তামান্নার সঞ্চালনায় দিনব্যাপী এ কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ মো. নূরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাইদ মাহবুবুল হক, টঘউচ’র উপদেষ্টা রোমানা শোয়াইগার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল আলম চৌধুরী ও বদরুদ্দোজা বাবু প্রধান সক্ষমতা উন্নয়ন ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সহায়তা ডেস্ক, গজউও।

অন্যান্যের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাসমূহের আইন বিটের সাংবাদিকবৃন্দ ও সুপ্রিম কোর্টের প্রতিনিধিবৃন্দ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্টমিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দসহ ইউএনডিপি বাংলাদেশের হেড অব কমিউনিকেশনস আব্দুল কাইয়ুম, এনআইএমসি এবং জেলা প্রশাসনের-এর কর্মকর্তাবৃন্দ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।

ডিএস./

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

সুপ্রিম কোর্টে চালু হচ্ছে বিচারিক হেল্পলাইন- ডা আজিজ আহমেদ ভূইয়া

প্রকাশিত : ০৩:৪০:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুলাই ২০২৫

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট আয়োজিত সুপ্রীম কোর্ট ও ইউএনডিপির যৌথ অংশীদারিত্বে ও সুইডেন দূতাবাসের সহযেগিতায় “Strengthening Investigative Journalism for Law & Justice Reporters” শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

রেজিস্ট্রার জেনারেল (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) সুপ্রীম কোর্ট, বাংলাদেশ ড. আজিজ আহমেদ ভূঞা কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জনসাধারণের নিকট বিচারিক সেবা প্রদানের জন্য মাননীয় প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ প্রস্তাবিত আইনি সংস্কার বিষয়ে রোডম্যাপ বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম মহানগর ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাসমূহের আইন বিটের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিকদের প্রতি সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। জনগণের আইনি অধিকার নিশ্চিত করতে রিপোর্টিং এর কার্যকর দিক নিয়ে কর্মশালায় ফলপ্রসূ করণকৌশল নির্ধারিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহম্মদ হিরুজ্জামান এনডিসি-এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ নুরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক এবং ইউএনডিপির আইনের শাসন, বিচার এবং নিরাপত্তা বিষয়ক সিনিয়র উপদেষ্টা মিজ রোমানা শোয়েগার।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মো. মারুফ নাওয়াজ তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে, “আইনি ও ন্যায়বিচার সম্পর্কিত সংবাদ পরিবেশনকারী সাংবাদিকদের গুরুত্বের কথা বলেন।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বলেন, দেশের বিদ্যামান আইনি কাঠামোকে শক্তিশালী করতে আইন প্রতিবেদকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি গণমাধ্যমকর্মী ও আইন প্রতিবেদকদের ভূমিকা চলমান আইনি সংস্কার কার্যক্রমে সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রোমানা শোয়েগার বলেন “আইন ও বিচার বিষয়ক সাংবাদিকরা জনগণ ও বিচার বিভাগের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করেন। তিনি আরো বলেন, “সাংবাদিকতা জনগণের আস্থা গড়ে তোলায় এবং বিচার বিভাগের কার্যক্রম জনগণ যেন অনুসরণ করতে পারে তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে চালু হচ্ছে বিচারিক হেল্পলাইন, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আয়োজিত কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. আজিজ আহমেদ ভূঁইয়া।

রোববার (২০ জুলাই) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় “বিচার সাংবাদিকদের জন্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা জোরদারকরণ” শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, “প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নির্দেশে ২০২৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর এই হেল্পলাইন চালু করা হয়। প্রথমে এটি শুধুমাত্র অফিস সময়ের মধ্যে (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত) চালু ছিল।”

বর্তমানে সহকারী রেজিস্ট্রারদের মাধ্যমে পরিচালিত এই হেল্পলাইন থেকে সরাসরি ফোনের মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে সার্বক্ষণিক হেল্পলাইন কার্যকর হলে বিচারপ্রার্থীদের জন্য সেবাগ্রহণ সহজতর হবে বলে জানান রেজিস্ট্রার জেনারেল।

আলোচনায় তিনি বিচার বিভাগের কাঠামোগত সংস্কার নিয়েও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে। প্রস্তাবটিতে রয়েছে একটি খসড়া অধ্যাদেশ, সাংগঠনিক কাঠামো এবং প্রয়োজনীয় বিধিবিধান সংশোধনের সুপারিশ।”

প্রস্তাবিত জুডিশিয়াল সেক্রেটারিয়েট গঠিত হলে অধস্তন আদালতের বিচারকদের পদায়ন, বদলি, পদোন্নতি ও শৃঙ্খলাবিষয়ক সব প্রশাসনিক কার্যক্রম সুপ্রিম কোর্টের নিয়ন্ত্রণে আসবে, যা বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হয়। এটি বাস্তবায়িত হলে বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

কর্মশালায় রেজিস্ট্রার জেনারেল আরও বলেন, “বিচার বিভাগ ও গণমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বিচার বিভাগের দুর্বলতা চিহ্নিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

কর্মশালাটি আয়োজন করে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (ঘওগঈ), সহযোগিতায় সুপ্রিম কোর্ট ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (টঘউচ), এবং সমর্থনে সুইডিশ দূতাবাস। এতে সভাপতিত্ব করেন ঘওগঈ-এর মহাপরিচালক মো. হিরুজ্জামান।

কর্মশালা পরিচালক এবং জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক তানজিম তামান্নার সঞ্চালনায় দিনব্যাপী এ কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ মো. নূরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাইদ মাহবুবুল হক, টঘউচ’র উপদেষ্টা রোমানা শোয়াইগার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল আলম চৌধুরী ও বদরুদ্দোজা বাবু প্রধান সক্ষমতা উন্নয়ন ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সহায়তা ডেস্ক, গজউও।

অন্যান্যের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাসমূহের আইন বিটের সাংবাদিকবৃন্দ ও সুপ্রিম কোর্টের প্রতিনিধিবৃন্দ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্টমিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দসহ ইউএনডিপি বাংলাদেশের হেড অব কমিউনিকেশনস আব্দুল কাইয়ুম, এনআইএমসি এবং জেলা প্রশাসনের-এর কর্মকর্তাবৃন্দ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।

ডিএস./