০২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রাণ হারালেন ১৯ জন

কলকাতায় পূজার প্যান্ডেলে যেভাবে ঘটল ভয়াবহ পদদলনের ঘটনা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চোরবাজার সার্বজনিন পূজা প্যান্ডেলে পদদলিত হয়ে ১৯ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার রাত প্রায় ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

কীভাবে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা হলো সেটি জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

বার্তাসংস্থা এএনআইকে বিনয় কুমার নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, ক্রমাগত বৃষ্টির কারণে এর সূত্রপাত হয়। এরপর এটি প্রানহানিকর দুর্ঘটনার মাধ্যমে শেষ হয়।

তিনি বলেছেন, “মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটেছে ক্রমাগত বৃষ্টির কারণে। প্যান্ডেলে অতিরিক্ত মানুষ ছিলেন। বৃষ্টির কারণে ওই মানুষগুলো আর সেখান থেকে বের হতে চাননি। এরমধ্যে আরও মানুষ প্যান্ডেলে ঢুকলে চাপাচাপি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুলিশ প্রশাসন সেখানে পুরোপুরি সক্রিয় ছিল। কিন্তু তারা মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি।”

এরমধ্যে জানা গেছে, প্যান্ডেল কমিটি মানুষকে বের হয়ে যেতে বারবার তাগাদা দিতে থাকে। এক সময় প্যান্ডেল থেকে ঘোষণা দেওয়া হয় বেশি মানুষ থাকলে এটি ভেঙে পড়বে। ওই সময় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হলে পদদলনের ঘটনা ঘটে। যা কেড়ে নিয়েছে ১৯ জনের প্রাণ।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, হাসপাতালে আহত অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন ২৫ জন। যারমধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। আর বাকিদের অবস্থা স্থিতিশীল আছে। তিনি নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ২৫ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ এবং পরিবারের একজন সদস্যকে ডি গ্রেডের সরকারি চাকরি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আর আহতদের ৫ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

শুভেন্দু জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভির ফুটেজ পরীক্ষা করা হবে। এতে কারও গাফিলতি পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুভেন্দুও প্যান্ডেল কমিটির একটি ঘোষণার কথা বলেছেন, যেটির কারণে এই পদদলনের সৃষ্টি হয়।

এদিকে এ ঘটনায় পূজা প্যান্ডেল কমিটির সদস্যসহ ১২জনকে আটক করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৪ জন নারী ও এক শিশু রয়েছে। আর বাকিরা প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ।

সূত্র: এএনআই

ডিএস./

জনপ্রিয়

গণতান্ত্রিক সরকারের তথ্য কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে: অধ্যাপক নাহরিন

প্রাণ হারালেন ১৯ জন

কলকাতায় পূজার প্যান্ডেলে যেভাবে ঘটল ভয়াবহ পদদলনের ঘটনা

প্রকাশিত : ০১:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চোরবাজার সার্বজনিন পূজা প্যান্ডেলে পদদলিত হয়ে ১৯ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার রাত প্রায় ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

কীভাবে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা হলো সেটি জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

বার্তাসংস্থা এএনআইকে বিনয় কুমার নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, ক্রমাগত বৃষ্টির কারণে এর সূত্রপাত হয়। এরপর এটি প্রানহানিকর দুর্ঘটনার মাধ্যমে শেষ হয়।

তিনি বলেছেন, “মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটেছে ক্রমাগত বৃষ্টির কারণে। প্যান্ডেলে অতিরিক্ত মানুষ ছিলেন। বৃষ্টির কারণে ওই মানুষগুলো আর সেখান থেকে বের হতে চাননি। এরমধ্যে আরও মানুষ প্যান্ডেলে ঢুকলে চাপাচাপি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুলিশ প্রশাসন সেখানে পুরোপুরি সক্রিয় ছিল। কিন্তু তারা মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি।”

এরমধ্যে জানা গেছে, প্যান্ডেল কমিটি মানুষকে বের হয়ে যেতে বারবার তাগাদা দিতে থাকে। এক সময় প্যান্ডেল থেকে ঘোষণা দেওয়া হয় বেশি মানুষ থাকলে এটি ভেঙে পড়বে। ওই সময় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হলে পদদলনের ঘটনা ঘটে। যা কেড়ে নিয়েছে ১৯ জনের প্রাণ।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, হাসপাতালে আহত অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন ২৫ জন। যারমধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। আর বাকিদের অবস্থা স্থিতিশীল আছে। তিনি নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ২৫ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ এবং পরিবারের একজন সদস্যকে ডি গ্রেডের সরকারি চাকরি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আর আহতদের ৫ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

শুভেন্দু জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভির ফুটেজ পরীক্ষা করা হবে। এতে কারও গাফিলতি পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুভেন্দুও প্যান্ডেল কমিটির একটি ঘোষণার কথা বলেছেন, যেটির কারণে এই পদদলনের সৃষ্টি হয়।

এদিকে এ ঘটনায় পূজা প্যান্ডেল কমিটির সদস্যসহ ১২জনকে আটক করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৪ জন নারী ও এক শিশু রয়েছে। আর বাকিরা প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ।

সূত্র: এএনআই

ডিএস./