০৪:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

ঝিনাইদহে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা

ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে মোবাইল ও টাকা চুরি সন্দেহে সুজন (২৬) নামের এক যুবককে বেধড়ক মারপিট করে হত্যা করা হয়েছে। সুজন ঝিনাইদহ পৌর এলাকার পারহাউজ পাড়ার হাশেম আলীর ছেলে। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে হাসপাতালের সপ্তম তলায় (শিশু ওয়ার্ড) থেকে মোবাইল ও টাকার ব্যাগ চুরির অপবাদ দিয়ে মারতে মারতে নিচে নিয়ে আসে উপস্থিত জনতা ও ভুক্তভোগিরা। শুক্রবার দুপুরে সুজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহত সুজনের পরিবার এই বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের বিচার দাবি করেন।

এলাকাবাসী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, নিহত সুজনের স্ত্রী হাসপাতালের পরিছন্নতা কর্মী। তাদের সংসারে পারিবারিক কলহ ছিল। সুজনের মারপিটের কথা তার স্ত্রীকে জানালে ঘটনাস্থলে তিনি আসেননি। প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান এলাকাবাসী।

ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালের পুরাতন ভবনের সিড়িতে অচেতন অবস্থায় এক ব্যক্তিকে পড়ে আছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে আবাসিক মেডিকেল অফিসার এবং ওয়ার্ড মাস্টারকে রোগীর কাছে পাঠায়। রোগীকে দেখে সার্জারী বিভাগে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা সারমিন শুক্রবার সাড়ে বারটায় তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

এব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)  আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি এবং সুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, বুধবার রাতে মারধর করার কারণে সুজনের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে সিসি টিভি ফুটেজের মাধ্যমে অপরাধীদের সনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

ঝিনাইদহে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা

প্রকাশিত : ০৫:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে মোবাইল ও টাকা চুরি সন্দেহে সুজন (২৬) নামের এক যুবককে বেধড়ক মারপিট করে হত্যা করা হয়েছে। সুজন ঝিনাইদহ পৌর এলাকার পারহাউজ পাড়ার হাশেম আলীর ছেলে। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে হাসপাতালের সপ্তম তলায় (শিশু ওয়ার্ড) থেকে মোবাইল ও টাকার ব্যাগ চুরির অপবাদ দিয়ে মারতে মারতে নিচে নিয়ে আসে উপস্থিত জনতা ও ভুক্তভোগিরা। শুক্রবার দুপুরে সুজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহত সুজনের পরিবার এই বর্বরোচিত হত্যাকান্ডের বিচার দাবি করেন।

এলাকাবাসী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, নিহত সুজনের স্ত্রী হাসপাতালের পরিছন্নতা কর্মী। তাদের সংসারে পারিবারিক কলহ ছিল। সুজনের মারপিটের কথা তার স্ত্রীকে জানালে ঘটনাস্থলে তিনি আসেননি। প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান এলাকাবাসী।

ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালের পুরাতন ভবনের সিড়িতে অচেতন অবস্থায় এক ব্যক্তিকে পড়ে আছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে আবাসিক মেডিকেল অফিসার এবং ওয়ার্ড মাস্টারকে রোগীর কাছে পাঠায়। রোগীকে দেখে সার্জারী বিভাগে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহানা সারমিন শুক্রবার সাড়ে বারটায় তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।

এব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)  আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি এবং সুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, বুধবার রাতে মারধর করার কারণে সুজনের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে সিসি টিভি ফুটেজের মাধ্যমে অপরাধীদের সনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডিএস./