০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
বনানী থানার দ্রুত বিচার আইনের মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ

১৪ বছর আগের মামলায় ছাত্রদল নেতা আউয়াল খানসহ ৬ জন কারাগারে

১৪ বছর আগের একটি মামলায় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ও তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক জিএস এম এ আউয়াল খানসহ ছয়জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন ঢাকার সিএমএম ৭ নম্বর আদালত।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি আসামিপক্ষের আইনজীবী ইলতুৎমিশ সওদাগর এ্যানি নিশ্চিত করেছেন।

কারাগারে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন—ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি রেজওয়ানুল হক সবুজ, সহ-সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মোল্লা, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য শরিফুল আলম মাসুম, তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল হান্নান মামুন ও রাশেদ উল্লাহ রাশেদ।

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানী এলাকায় সড়ক অবরোধের ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে বনানী থানায় মামলা দায়ের করে পুলিশ। একই বছরের ১৯ ডিসেম্বর পুলিশ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

পরে ২০১৩ সালের ২২ জানুয়ারি আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ছয়জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

বনানী থানার দ্রুত বিচার আইনের মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ

১৪ বছর আগের মামলায় ছাত্রদল নেতা আউয়াল খানসহ ৬ জন কারাগারে

প্রকাশিত : ০৫:৫৯:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

১৪ বছর আগের একটি মামলায় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ও তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক জিএস এম এ আউয়াল খানসহ ছয়জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন ঢাকার সিএমএম ৭ নম্বর আদালত।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি আসামিপক্ষের আইনজীবী ইলতুৎমিশ সওদাগর এ্যানি নিশ্চিত করেছেন।

কারাগারে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন—ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি রেজওয়ানুল হক সবুজ, সহ-সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মোল্লা, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য শরিফুল আলম মাসুম, তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল হান্নান মামুন ও রাশেদ উল্লাহ রাশেদ।

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানী এলাকায় সড়ক অবরোধের ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে বনানী থানায় মামলা দায়ের করে পুলিশ। একই বছরের ১৯ ডিসেম্বর পুলিশ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

পরে ২০১৩ সালের ২২ জানুয়ারি আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ছয়জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।