ঢাকার সাভার মডেল থানার ক্লুলেস ফজলে রাব্বি (২২) হত্যা মামলায় স্বামী স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শনিবার দুপুরে র্যাব ১৪ এর ৩ নং কোম্পানী কমান্ডার মেজর মো. কাওসার বাঁধন সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। র্যাব ধারণা করছে পরকীয়ার জেরে রাব্বি খুন হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন, সাভার কলমাউত্তরপাড়া এলাকার জাকির আলী ভূইয়ার ছেলে রাতুল ভূইয়া (২২) ও তার স্ত্রী ফাহিমা আক্তার ইতি (২৩)।কমান্ডার মেজর মো. কাওসার বাঁধন জানান, ভিকটিম ফজলে রাব্বি নিজ বাড়িতে গরু লালন পালন এবং অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করত। গত ১৭ অক্টোবর বিকেলে নিজ বাড়ি হইতে কাউকে কিছু না জানিয়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে যায়।
এরপর রাব্বি বাড়িতে ফিরে না আসায় ও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে সাভার মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। ৩০ অক্টোবর দুপুরে বাড়ির লোকজন সংবাদ পায় যে সাভারের উত্তরকমলা গ্রামে পরিত্যক্ত জঙ্গলের মধ্যে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় বস্তার ভিতর একটি মরদেহ পড়ে আছে। পরে ভিকটিমের পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিম ফজলে রাব্বি র মরদেহ শনাক্ত করে। পরবর্তীতে এই ঘটনায় ভিকটিমের মামা মো. ওহাব আলী (৪০), বাদি হয়ে সাভার মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্তের এক পর্যায়ে টাঙ্গাইল শহরের বেলটিয়াবাড়ি এলাকা হতে শুক্রবার রাতে রাতুল ও ইতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে রাতেই তাদের সাভার থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, রাতুল ও ইতি ৪/৫ দিন আগে বিয়ে করে টাঙ্গাইলের বেলটিয়াবাড়ী এলাকায় বাসা ভাড়া নেয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে আগে ইতি সাথে রাব্বির পরকীয়া বা প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। সেই পরকীয়ার জেরেই হত্যাকান্ডটি হয়েছে। তবে রাতুল ও ইতি এ বিষয়ে কোন জবানবন্দি দেন দেননি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।
ডিএস,.




















