সকল জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া -৪ ( কসবা – আখাউড়া ) আসনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের কান্ডারী হলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক একান্ত সচিব, বিশ্ব ব্যাংকের সাবেক বিকল্প পরিচালক ও সাবেক সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্বাক্ষরিত ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দের চিঠি হাতে পান তিনি। তার চূড়ান্ত মনোনয়নের খবর পেয়ে তার নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির সকল নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।
দলীয় সূত্র থেকে জানা যায়, গত ২০ ডিসেম্বর মুশফিকুর রহমানকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। তবে এক সপ্তাহ পর, ২৭ ডিসেম্বর জেলা বিএনপির নেতা কবীর আহাম্মেদ ভূইয়া ‘ সংযুক্তি-২’ উল্লেখপূর্বক আরেকটি মনোনয়নের চিঠি পান। এ নিয়ে উভয় প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে এলাকায় কর্মসূচি পালনের ঘটনা ঘটে। যা দলীয় সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ ও দ্বিধা বিভক্তি সৃষ্টি করে।
এদিকে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মোঃ জহিরুল হক চৌধুরী বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর মনোনয়নের বৈধতা নিয়ে আপিল করলে বিষয়টি নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে শুনানির জন্য ওঠে। শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল মুশফিকুর রহমানের মনোনয়ন বৈধ বলে রায় ঘোষণা করেন। রায়ের এই খবর ছড়িয়ে পড়লে কসবা ও আখাউড়া উপজেলায় মুশফিকুর রহমানের সমর্থকরা মিছিল, স্লোগান ও মিষ্টি বিতরণের মাধ্যমে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য,ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে বিএনপি থেকে শেষ পর্যন্ত মুশফিকুর রহমানকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাজমান উদ্বেগ উৎকন্ঠা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটলো।
ডিএস./






















