১২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভা দুপুরে

সচিবালয়ে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি নিউমুরিং টার্মিনাল সংক্রান্ত সভা করেন। এরপর দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি সম্পর্কিত বিশেষ সভা।

সভায় অংশ নেবেন অর্থ, পররাষ্ট্র, আইন, খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও কর্মকর্তারা। এছাড়া উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান।

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করে সরকার দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারকে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে মুক্তি দিতে চাচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিবারগুলোকে নিয়মিত নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। বিশেষভাবে সহায়তার অর্থ পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যেই ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রথম ধাপে দেশের নির্দিষ্ট এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীকালে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করে পুরো দেশে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।

ডিএস./

জনপ্রিয়

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভা দুপুরে

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভা দুপুরে

প্রকাশিত : ১২:২৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সচিবালয়ে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি নিউমুরিং টার্মিনাল সংক্রান্ত সভা করেন। এরপর দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত হবে দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি সম্পর্কিত বিশেষ সভা।

সভায় অংশ নেবেন অর্থ, পররাষ্ট্র, আইন, খাদ্য ও কৃষি মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও কর্মকর্তারা। এছাড়া উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান।

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করে সরকার দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারকে মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে মুক্তি দিতে চাচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিবারগুলোকে নিয়মিত নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। বিশেষভাবে সহায়তার অর্থ পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ইতোমধ্যেই ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রথম ধাপে দেশের নির্দিষ্ট এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীকালে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করে পুরো দেশে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।

ডিএস./