০৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

বগুড়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ

বগুড়া দুপচাঁচিয়া উপজেলায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে এক স্কুলছাত্রী। সোমবার সকালে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট (সহকারী কমিশনার) জেসমিন প্রধানের নেতৃত্বে স্কুলছাত্রী হাবিবা খাতুনের বাল্যবিয়ের অনুষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলা সদরের ইসলামপুর খানাবাড়ী পূর্বপাড়ার প্রবাসী ভুট্টু প্রামাণিকের মেয়ে করমজি উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী হাবীবা খাতুনের সাথে পার্শ্ববর্তী আমঝুঁপি গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে লিটনের বিয়ে ঠিক হয়। আজ সোমবার মেয়ের বাড়িতে বিয়ের সকল আয়োজন করা হয়। অতিথিদের আপ্যায়নের সকল প্রস্তুতিও সম্পূর্ণ হয়। বরযাত্রী আসার অপেক্ষায় মাইক বাজিয়ে সবাই উৎসব মুখর পরিবেশে আনন্দ করতে থাকে।

এ দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম জাকির হোসেন বাল্যবিয়ের খবর পান। তিনি সহকারী কমিশনার (নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট) জেসমিন প্রধানকে বাল্যবিয়েটি বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

সহকারী কমিশনার (নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট) জেসমিন প্রধান সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে যান। বাল্যবিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তা বন্ধ করার নির্দেশ দেন। পরে মেয়ের মা ফজিলা খাতুন ও চাচা আমজাদ হোসেন মেয়ের ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেওয়ার অঙ্গীকার করে মুচলিকা লেখে দেন এবং বিয়ের সকল কার্যক্রম বন্ধ করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শালবন সেতুর নিচে রহস্যময় প্যাকেট, খুলতেই বের হলো বিদেশি পিস্তল

বগুড়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ

প্রকাশিত : ০৮:২৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অগাস্ট ২০১৮

বগুড়া দুপচাঁচিয়া উপজেলায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে এক স্কুলছাত্রী। সোমবার সকালে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট (সহকারী কমিশনার) জেসমিন প্রধানের নেতৃত্বে স্কুলছাত্রী হাবিবা খাতুনের বাল্যবিয়ের অনুষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলা সদরের ইসলামপুর খানাবাড়ী পূর্বপাড়ার প্রবাসী ভুট্টু প্রামাণিকের মেয়ে করমজি উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী হাবীবা খাতুনের সাথে পার্শ্ববর্তী আমঝুঁপি গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে লিটনের বিয়ে ঠিক হয়। আজ সোমবার মেয়ের বাড়িতে বিয়ের সকল আয়োজন করা হয়। অতিথিদের আপ্যায়নের সকল প্রস্তুতিও সম্পূর্ণ হয়। বরযাত্রী আসার অপেক্ষায় মাইক বাজিয়ে সবাই উৎসব মুখর পরিবেশে আনন্দ করতে থাকে।

এ দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম জাকির হোসেন বাল্যবিয়ের খবর পান। তিনি সহকারী কমিশনার (নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট) জেসমিন প্রধানকে বাল্যবিয়েটি বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

সহকারী কমিশনার (নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট) জেসমিন প্রধান সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে যান। বাল্যবিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তা বন্ধ করার নির্দেশ দেন। পরে মেয়ের মা ফজিলা খাতুন ও চাচা আমজাদ হোসেন মেয়ের ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেওয়ার অঙ্গীকার করে মুচলিকা লেখে দেন এবং বিয়ের সকল কার্যক্রম বন্ধ করেন।