০৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

পাবনার গ্রামীণ ও পৌর অবকাঠামো উন্নয়নে বিপুল বরাদ্দ: এমপি শিমুল বিশ্বাসের প্রচেষ্টায় আসছে মেগা প্রকল্প

পাবনা জেলার সার্বিক গ্রামীণ ও পৌর অবকাঠামো উন্নয়নে এক বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হতে যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় জেলাজুড়ে ব্যাপক উন্নয়নের লক্ষ্যে বড় দুটি প্রকল্প প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। পাবনা-৫ (সদর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের ঐকান্তিক ও নিরলস প্রচেষ্টায় এই মেগা উদ্যোগ বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পাবনা জেলার গ্রামীণ জনপদের চিত্র বদলে দিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষ প্রকল্প প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। “পাবনা জেলা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প” নামের এই মেগা প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে১৮০০ কোটি টাকা। এই বিশাল বাজেটের আওতায় জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল বা গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল করতে আধুনিক বাজার (মার্কেট) ও ঘাটলা নির্মাণ, টেকসই গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্রীজ ও কালভার্ট নির্মাণ, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে রেল ক্রসিং নির্মাণ এবং জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষায় ব্যাপক বনায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন সহ জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে নানামুখী কাজ করা হবে। এছাড়া গ্রামীণ জনপদের পাশাপাশি পাবনা শহরবাসীর নাগরিক সুবিধা বাড়াতেও বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এলজিইডির আওতায় পাবনা পৌরসভার সামগ্রিক অবকাঠামো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের জন্য আরও একটি পৃথক প্রকল্প প্রণয়নের কাজ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পৌর এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও সড়ক যোগাযোগ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই বিশাল উন্নয়ন প্রকল্পের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পাবনাবাসীর মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ১৮০০ কোটি টাকার এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পাবনার গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত এই মেগা প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়ায় তারা সংসদ সদস্য জনাব মোঃ শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

এব্যাপারে জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল ইসলাম বিশু বলেন, ১৮০০ কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্প পাবনার ইতিহাসে এক যুগান্তকারী অধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরে পাবনাবাসী এই ধরনের একটি সমন্বিত ও বড় বাজেটের উন্নয়ন প্রকল্পের আশা করছিল। গ্রামীণ রাস্তাঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার এই আধুনিকায়ন হলে জেলার অর্থনৈতিক চিত্র পুরোপুরি বদলে যাবে। বিশেষ করে আমাদের সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস যে আন্তরিকতা ও দ্রুততার সাথে এই উদ্যোগটি নিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমরা নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি।

পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো আর হাট-বাজারের উন্নয়ন হলে ব্যবসার পরিধি অনেক বাড়বে। প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে কৃষিপণ্য ও মালামাল খুব সহজে এবং কম খরচে সদরে চলে আসবে। এছাড়া বর্ষাকালে পাবনা পৌরসভায় যে জলাবদ্ধতা তৈরি হতো, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন হলে সেই কষ্ট থেকেও আমরা মুক্তি পাব। এক্ষেত্রে এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন প্রয়োজন।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, পাবনা পুরনো একটি জেলা হলেও অবহেলিতই রয়ে গেছে। গ্রামে একটু বৃষ্টি হলেই চলাফেরা করা কঠিন হয়ে পড়ে, মাঠে উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে দ্বিগুণ খরচ হয়। ১৮০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পের কথা শুনে আমরা খুবই আনন্দিত। রাস্তাঘাট ভালো হলে গ্রামে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া-আসা সহজ হবে এবং কৃষকরা ফসলের ন্যায্যমূল্য পাবে।

পাবনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম বলেন, জেলার গ্রামীণ ও পৌর অবকাঠামোর টেকসই রূপান্তরের জন্য এই দুটি প্রকল্প অত্যন্ত যুগান্তকারী। ১৮০০ কোটি টাকার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় টেকসই সড়ক, ব্রীজ-কালভার্ট ও আধুনিক হাট-বাজার নির্মাণের জন্য আমরা ইতোমধ্যে কারিগরি ও মাঠ পর্যায়ের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ করে প্রেরণের পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেয়েছে। এছাড়া পৌরসভার ড্রেনেজ ও সড়ক ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) তৈরির কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। মাননীয় সংসদ সদস্যের বিশেষ তৎপরতায় প্রকল্পগুলো দ্রুত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া মাত্রই মাঠ পর্যায়ে এর বাস্তবায়ন শুরু হবে।

এদিকে এই প্রকল্পগুলো দ্রুত অনুমোদন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাবনা জেলাকে একটি আধুনিক ও মডেল জেলায় রূপান্তর করাই মূল লক্ষ্য বলছেন সংশ্লিষ্টরা। এব্যাপারে পাবনা ৫ আসনের সংসদ সদস্য এড. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, এলজিইডির মাধ্যমে পাবনা জেলা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ২ হাজার ৯২০ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছিলো। কিন্তু মন্ত্রণালয় ১৮০০ কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে পাবনায় কোনো অবহেলিত বা অনুন্নত অঞ্চল থাকবে না। পৌরসভার ড্রেনেজ আধুনিকায়ন সহ প্রকল্প দুটি এলজিইডির মাধ্যমে দ্রুত অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলছে। দল-মত নির্বিশেষে জেলার সুষম উন্নয়ন এবং জনগণের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে আমার এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

ডিএস../

ট্যাগ :

ফরিদপুরে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

পাবনার গ্রামীণ ও পৌর অবকাঠামো উন্নয়নে বিপুল বরাদ্দ: এমপি শিমুল বিশ্বাসের প্রচেষ্টায় আসছে মেগা প্রকল্প

প্রকাশিত : ০৩:০২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

পাবনা জেলার সার্বিক গ্রামীণ ও পৌর অবকাঠামো উন্নয়নে এক বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হতে যাচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় জেলাজুড়ে ব্যাপক উন্নয়নের লক্ষ্যে বড় দুটি প্রকল্প প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। পাবনা-৫ (সদর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের ঐকান্তিক ও নিরলস প্রচেষ্টায় এই মেগা উদ্যোগ বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পাবনা জেলার গ্রামীণ জনপদের চিত্র বদলে দিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষ প্রকল্প প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। “পাবনা জেলা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প” নামের এই মেগা প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে১৮০০ কোটি টাকা। এই বিশাল বাজেটের আওতায় জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল বা গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল করতে আধুনিক বাজার (মার্কেট) ও ঘাটলা নির্মাণ, টেকসই গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্রীজ ও কালভার্ট নির্মাণ, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে রেল ক্রসিং নির্মাণ এবং জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষায় ব্যাপক বনায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন সহ জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে নানামুখী কাজ করা হবে। এছাড়া গ্রামীণ জনপদের পাশাপাশি পাবনা শহরবাসীর নাগরিক সুবিধা বাড়াতেও বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এলজিইডির আওতায় পাবনা পৌরসভার সামগ্রিক অবকাঠামো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের জন্য আরও একটি পৃথক প্রকল্প প্রণয়নের কাজ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পৌর এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও সড়ক যোগাযোগ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই বিশাল উন্নয়ন প্রকল্পের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পাবনাবাসীর মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ১৮০০ কোটি টাকার এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পাবনার গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত এই মেগা প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়ায় তারা সংসদ সদস্য জনাব মোঃ শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

এব্যাপারে জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল ইসলাম বিশু বলেন, ১৮০০ কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্প পাবনার ইতিহাসে এক যুগান্তকারী অধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরে পাবনাবাসী এই ধরনের একটি সমন্বিত ও বড় বাজেটের উন্নয়ন প্রকল্পের আশা করছিল। গ্রামীণ রাস্তাঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার এই আধুনিকায়ন হলে জেলার অর্থনৈতিক চিত্র পুরোপুরি বদলে যাবে। বিশেষ করে আমাদের সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস যে আন্তরিকতা ও দ্রুততার সাথে এই উদ্যোগটি নিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমরা নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি।

পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো আর হাট-বাজারের উন্নয়ন হলে ব্যবসার পরিধি অনেক বাড়বে। প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে কৃষিপণ্য ও মালামাল খুব সহজে এবং কম খরচে সদরে চলে আসবে। এছাড়া বর্ষাকালে পাবনা পৌরসভায় যে জলাবদ্ধতা তৈরি হতো, ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন হলে সেই কষ্ট থেকেও আমরা মুক্তি পাব। এক্ষেত্রে এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন প্রয়োজন।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, পাবনা পুরনো একটি জেলা হলেও অবহেলিতই রয়ে গেছে। গ্রামে একটু বৃষ্টি হলেই চলাফেরা করা কঠিন হয়ে পড়ে, মাঠে উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে দ্বিগুণ খরচ হয়। ১৮০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পের কথা শুনে আমরা খুবই আনন্দিত। রাস্তাঘাট ভালো হলে গ্রামে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া-আসা সহজ হবে এবং কৃষকরা ফসলের ন্যায্যমূল্য পাবে।

পাবনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম বলেন, জেলার গ্রামীণ ও পৌর অবকাঠামোর টেকসই রূপান্তরের জন্য এই দুটি প্রকল্প অত্যন্ত যুগান্তকারী। ১৮০০ কোটি টাকার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় টেকসই সড়ক, ব্রীজ-কালভার্ট ও আধুনিক হাট-বাজার নির্মাণের জন্য আমরা ইতোমধ্যে কারিগরি ও মাঠ পর্যায়ের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ করে প্রেরণের পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেয়েছে। এছাড়া পৌরসভার ড্রেনেজ ও সড়ক ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) তৈরির কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। মাননীয় সংসদ সদস্যের বিশেষ তৎপরতায় প্রকল্পগুলো দ্রুত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পাওয়া মাত্রই মাঠ পর্যায়ে এর বাস্তবায়ন শুরু হবে।

এদিকে এই প্রকল্পগুলো দ্রুত অনুমোদন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাবনা জেলাকে একটি আধুনিক ও মডেল জেলায় রূপান্তর করাই মূল লক্ষ্য বলছেন সংশ্লিষ্টরা। এব্যাপারে পাবনা ৫ আসনের সংসদ সদস্য এড. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, এলজিইডির মাধ্যমে পাবনা জেলা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ২ হাজার ৯২০ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছিলো। কিন্তু মন্ত্রণালয় ১৮০০ কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে পাবনায় কোনো অবহেলিত বা অনুন্নত অঞ্চল থাকবে না। পৌরসভার ড্রেনেজ আধুনিকায়ন সহ প্রকল্প দুটি এলজিইডির মাধ্যমে দ্রুত অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলছে। দল-মত নির্বিশেষে জেলার সুষম উন্নয়ন এবং জনগণের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে আমার এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

ডিএস../