নওগাঁর ধামইরহাটে মাছ ধরার জাল ২০০ টাকায় বন্ধক রাখাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মুস্তাকিন (২০) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সাবলও উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার সাহাপুর আঙ্গুরাত কলোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
নিহত মুস্তাকিন ধামইরহাট উপজেলার বড় শিবপুর যদুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাছ ধরার তৌরা জাল ২০০ টাকায় বন্ধক রাখাকে কেন্দ্র করে মুস্তাকিনের সঙ্গে কয়েকজনের বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাকে ও তার মাকে নিজ খলিয়ানে মারধর করা হয়। এতে মুস্তাকিন গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহত মুস্তাকিন ও তার মাকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুস্তাকিনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে ধামইরহাট থানা পুলিশ। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ধামইরহাট থানা ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালায়।
অভিযানে মো. রতন হোসেন (২২), মো. সাইদুল ইসলাম (২৪), আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশু মো. হাসান (১৪), মোছাম্মৎ রোকেয়া বেগম (৫৫) ও মোছাম্মৎ জাকিয়া বেগম (১৯)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার সাইদুল ইসলামের দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে তার বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সাবল উদ্ধার করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
ডিএস./






















