০৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

শাহজাদপুরে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে আমন ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি। মাঠজুড়ে সোনালি ধানের সমারোহ আর পাকা ধানের ভারে নুয়ে পড়া শিষ জানান দিচ্ছে নতুন ফসল ঘরে তোলার সময় ঘনিয়ে এসেছে। ভালো ফলন ঘিরে কৃষকের মনে দেখা দিয়েছে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার।

শাহজাদপুর উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়নের কৃষিজমিতে আমন ধানের ক্ষেতজুড়ে এখন সবুজ ও সোনালি রঙের মিশেল। কোথাও ধান পেকে উঠেছে, আবার কোথাও চলছে শেষ মুহূর্তের পরিচর্যা। অনুকূল আবহাওয়া ও যথাযথ পরিচর্যার ফলে অনেক জমিতে ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

দুগলি গ্রামের কৃষক লোকমান মিয়া বলেন, আমি ৪ বিঘা জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছি,ফলন ভালো হয়েছে।পরিবারের সারা বছরের খাদ্যের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারে ধান বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব হবে। তবে, শ্রমিকের মজুরি, ধানের ন্যায্যমূল্য এবং বাজারজাতকরণ নিয়ে আমরা চিন্তায় আছি।

নন্দলালপুর গ্রামের আবু তাহের বলেন,আমি ৫ বিঘা আমন ধান আবাদ করেছি,আশা করছি সুষ্ঠুভাবে তা ঘরে তুলতে পারবো। বাজারে ধানের নায্য মূল্য পাবো।
শাহজাদপুরের কৃষিনির্ভর জনপদে আমন ধানের ভালো ফলন শুধু কৃষকের মুখেই হাসি ফোটায় না, স্থানীয় অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এখন কৃষকের প্রত্যাশা পরিশ্রমের যথাযথ মূল্য মিলবে এবং ন্যায্যমূল্যে ধান বিক্রি করে তাঁরা লাভের মুখ দেখবেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শাহজাদপুর উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়নে প্রায় ৫১০ হেক্টর আমন ধান চাষ হয়েছে।বিঘা প্রতি ১৮/১৯ মন ধান ফলন পেয়েছে কৃষকেরা।

ডিএস./

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু

শাহজাদপুরে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি

প্রকাশিত : ০৪:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে আমন ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি। মাঠজুড়ে সোনালি ধানের সমারোহ আর পাকা ধানের ভারে নুয়ে পড়া শিষ জানান দিচ্ছে নতুন ফসল ঘরে তোলার সময় ঘনিয়ে এসেছে। ভালো ফলন ঘিরে কৃষকের মনে দেখা দিয়েছে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার।

শাহজাদপুর উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়নের কৃষিজমিতে আমন ধানের ক্ষেতজুড়ে এখন সবুজ ও সোনালি রঙের মিশেল। কোথাও ধান পেকে উঠেছে, আবার কোথাও চলছে শেষ মুহূর্তের পরিচর্যা। অনুকূল আবহাওয়া ও যথাযথ পরিচর্যার ফলে অনেক জমিতে ভালো ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

দুগলি গ্রামের কৃষক লোকমান মিয়া বলেন, আমি ৪ বিঘা জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছি,ফলন ভালো হয়েছে।পরিবারের সারা বছরের খাদ্যের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারে ধান বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব হবে। তবে, শ্রমিকের মজুরি, ধানের ন্যায্যমূল্য এবং বাজারজাতকরণ নিয়ে আমরা চিন্তায় আছি।

নন্দলালপুর গ্রামের আবু তাহের বলেন,আমি ৫ বিঘা আমন ধান আবাদ করেছি,আশা করছি সুষ্ঠুভাবে তা ঘরে তুলতে পারবো। বাজারে ধানের নায্য মূল্য পাবো।
শাহজাদপুরের কৃষিনির্ভর জনপদে আমন ধানের ভালো ফলন শুধু কৃষকের মুখেই হাসি ফোটায় না, স্থানীয় অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এখন কৃষকের প্রত্যাশা পরিশ্রমের যথাযথ মূল্য মিলবে এবং ন্যায্যমূল্যে ধান বিক্রি করে তাঁরা লাভের মুখ দেখবেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শাহজাদপুর উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়নে প্রায় ৫১০ হেক্টর আমন ধান চাষ হয়েছে।বিঘা প্রতি ১৮/১৯ মন ধান ফলন পেয়েছে কৃষকেরা।

ডিএস./