ঈদে ‘নীল রংধনু’ শিরোনামের নাটকে গেয়েছেন কনা। গানটির শিরোনাম ‘মন বলছে তাই’। মাছরাঙা টেলিভিশনে সম্প্রতি প্রচারিত ‘নীল রংধনু’ নাটকের শেষে গানটি আংশিক উপভোগ করেছেন দর্শক। এবার পুরো গানটি প্রকাশ হয়েছে জাগো মিউজিকের ইউটিউব চ্যানেলে।
নাটকটি নির্মাণ করেছেন হাসান রেজাউল। তার নাটকের ‘মন বলছে তাই’ শিরোনামের গানটি লিখেছেন মাসুম আওয়াল। সুর ও সংগীতায়োজনে আছেন চিরকুট ব্যান্ডের ইমন চৌধুরী। গানের ভিডিওতে পাওয়া যাবে নাটকের দুই অভিনয় শিল্পী এফ এস নাঈম ও শবনম ফারিয়াকে। এরই মধ্যে গানটিও পছন্দ করছেন শ্রোতারা।
নতুন এই গানটি নিয়ে কণ্ঠশিল্পী কনা বলেন, ‘এটা আমার ভীষণ পছন্দের একটি গান। যেদিন আমি প্রথম গানটি গেয়েছি সেই দিন থেকে আমি চেয়েছি এই গানটি যেন ভালো একটা জায়গাই পৌঁছায়। অসম্ভব সুন্দর কথা ও সুরের ইনোসেন্ট প্রেমের একটি গান ‘মন বলছে তাই’। আমার নিজের গাওয়া কিছু প্রিয় গানের মধ্যে এটা একটা।’
গানটির সুরকারও সংগীত পরিচালক ইমন চৌধুরী বলেন, ‘গানের কথাগুলো ছিল অনেক সুন্দর। গানের সুর ও সংগীতায়োজন করেছি আমার সর্বচ্চ ভালোবাসা দিয়ে। কনা আপুও গেয়েছেন দারুন। আমার বিশ্বাস গানটি সবার ভালো লাগবে।’
নির্মাত হাসান রেজাউল শোনালেন এই গানটির পেছনের গল্প। হাসান রেজাউল বলেন, ‘প্রায়ই মাসুম আওয়াল ভাইয়ের সাথে চায়ের আড্ডায় তার গান শুনি। ভালোই লাগে। ঈদের নাটকের প্রয়োজনে একটা গান দরকার। তাকে হঠাৎ ফোন দিয়ে বললাম আর্জেন্ট দেখা করতে। সেও ছুটে আসলো। রাতের আঁধারে কাওরান বাজারের কোণায় পার্কের ভেতরে একের পর এক গানের লিরিক শোনালেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার পছন্দ হল দুইটা। লিরিক দুইটা মাসুম ভাইয়ের কন্ঠেই রেকর্ড করে নিয়ে রাতেই গেলাম ছোট্টবেলার বন্ধু ইমন চৌধুরীর কাছে। এদিকে নাটকের শুটিংয়ের ডেট ফাইনাল। একটা ডেমো না হলে কি হয়? দুইটা গানের মধ্যে ‘মন বলছে তাই’ গানটি নাটকের গল্পের সঙ্গে যায়। সে ভাবনা থেকে ইমন নিজেই গেয়ে দিলো ডেমো ভার্সন। তা নিয়েই গেলাম শুটিংয়ে। যদিও এটাকে ডেমো ভাবতে আমি এখনো নারাজ। অসাধারণ গেয়েছে ইমন।
‘মন বলছে তাই’ গানটি কে ফাইনালি গাবে সে ভাবনা চলছে। ইমন খুব ভেবে বলে- এই গান কনা আপু ছাড়া কারো গলায় আরাম পাওয়া যাবে না। আমারো তাই মনে হয়েছে। ইমন নিজেই তাকে রাজি করায় গানটি গাওয়ার জন্য। আপু খুব আনন্দ নিয়ে গানটি গায়। গলার সুক্ষ কিছু কাজ আসলেই কনা আপু ছাড়া কেউ পারতো বলে মনে হয় না। জানি সবাই ভালো শিল্পী। কিন্তু কিছু লিরিকের জন্য কনা বেস্ট বলে আমি মনে করি। ইমন খুব যত্ন নিয়ে মিউজিক করে। গানটা মিষ্টি একটা সুরে আবদ্ধ হয়। আমি বারবার শুনি- মজা লাগে। পরে জানতে পারি কনা আপুও এই গান দিনে ২/৩ বার শোনে। ভালো লাগা অসীমে গিয়ে দাঁড়ায়।’


























