ঢাকা সন্ধ্যা ৭:৪৪, বৃহস্পতিবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মোস্তাফিজের সেঞ্চুরি!

মোস্তাফিজুর রহমানের মিডল স্টাম্পে করা বলটা ফ্লিক করে মিড উইকেট দিয়ে বাউন্ডারি মেরে সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরি পেয়ে গেলেন ফাফ ডু প্লেসি। ‘সেঞ্চুরি’ হয়ে গেল মোস্তাফিজুরও। ব্লুমফন্টেইন টেস্টে বেশ তিক্ত অভিজ্ঞতাই হলো বাঁহাতি পেসারের। ক্যারিয়ারে এখনো পর্যন্ত খেলা ৮ টেস্টের ১৩ ইনিংসে প্রথমবারের মতো কোনো উইকেট না নিয়েই ১০০ রানের বেশি দিলেন তিনি।

আগের দিন ডিন এলগার-এইডেন মার্করাম সেঞ্চুরি পেয়েছেন। আজ পেলেন হাশিম আমলা-ফাফ ডু প্লেসিও। দ্বিতীয় দিনে লাঞ্চে যাওয়ার আগে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ৩ উইকেটে ৫৩০। চার সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় এরই মধ্যে গড়া হয়ে গেছে। সেটি আরও বড় করতে এখনো ইনিংস ঘোষণা করেনি প্রোটিয়ারা। বাংলাদেশের বিপক্ষে এ দিয়ে চতুর্থবার এক ইনিংসে চারটা সেঞ্চুরি দেখা গেল। এক ইনিংসেই ২০০-এর বেশি জুটি দেখা গেল এ নিয়ে দুবার।
দক্ষিণ আফ্রিকার রান-উৎসবে আরও একটি কঠিন সেশন পার করল বাংলাদেশ বোলাররা। চার প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানের সঙ্গে ‘সেঞ্চুরি’ হয়েছে বাংলাদেশের চার বোলারেরও। মোস্তাফিজ, শুভাশিস রায়, রুবেল হোসেন ও তাইজুল ইসলাম প্রত্যেকেই ১০০ রানের বেশি দিয়েছেন। মোস্তাফিজ বাদে সবারই এর আগে ‘সেঞ্চুরি’র রেকর্ড আছে। গত মার্চে গল টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১০৩ রান দিয়ে শুভাশিস পেয়েছিলেন ১ উইকেট। রুবেল পঞ্চমবারের মতো দিলেন ১০০-এর বেশি রান। তাইজুল তো সেঞ্চুরি দিয়েই শুরু করেছিলেন টেস্ট ক্যারিয়ার। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট পেয়েছিলেন ১৩৫ রান দিয়ে। এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো ইনিংসে ১০০ রানের বেশি দিলেন বাঁহাতি স্পিনার।
অবশ্য দেদার রান খরচে এটি কোনো রেকর্ড নয়। গত ফেব্রুয়ারিতে ভারতের বিপক্ষে হায়দরাবাদ টেস্টে ১০০ রানের বেশি দিয়েছিলেন বাংলাদেশের পাঁচ বোলার। ২০০৪ সালে বুলাওয়ে টেস্টে শ্রীলঙ্কার একমাত্র ইনিংসে জিম্বাবুয়ের প্রথম ছয় বোলারেরই ১০০ রানের বেশি দেওয়ার রেকর্ডটাএখনো অক্ষত আছে।

এ বিভাগের আরও সংবাদ