১১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

তরী ডুবলো বাংলাদেশের

ক’দিন আগেই ভারতের বিপক্ষে এশিয়া কাপের ফাইনালে শেষ বলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করেছে বাংলাদেশ। এবার তীরে এসেই তরী ডুবলো অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপেও। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে হংকংকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠলেও বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) সেমিফাইনালে ভারতের কাছে মাত্র ২ রানে হারলো তৌহিদ-শামিমরা।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ৪৯.৩ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১৭২ তোলে ভারত। জবাবে জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নেমে ৪৬.২ ওভারে ১৭০ রানেই সব উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৬৫ রানেই ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মাহমুদুল হাসান জয় ২৫ রান করলেও দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেনি বাকিরা কেউই। তবে ষষ্ঠ উইকেটে দলের হাল ধরেন শামিম হোসেন ও আকবর আলী। দু’জন মিলে ৭৪ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ১৩৯ রানে ব্যক্তিগত ৪৫ রানে ফেরেন আকবর আলী। এরপর ২ রান যোগ করে দলীয় ১৪৭ রানে আউট হয়ে ফিরে যান মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি।

তবে একপাশ থেকে দলের হাল ধরে অর্ধশতক তুলে নেন শামিম। তবে দলীয় ১৬১ রানে ব্যক্তিগত ৫৯ রানে গঙ্গাপুরানের বলে বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শামিম। এরপর শূন্য রানে রানে ফেরেন শরিফুল।

শেষ উইকেটে ৩৯ বলে যখন ১২ রান দরকার তখন উইকেটে ছিলেন রাকিবুল হাসান ও মিনহাজুর রহমান। দু’জন মিলে আশা জাগিয়ে জয়ের খুব কাছেই চলে গিয়েছিলন। তবে জয়ের জন্য যখন আর মাত্র ৩ রান দরকার, তখনই ব্যক্তিগত ৬ রানে রান আউট হন মুনহাজুর। আর তাতেই ফাইনালের আশা নিভে যায় বাংলাদেশের।

ভারতের সিদ্ধার্থ দেসাই ও মোহিত জংরা ৩টি করে উইকেট নেন। হর্শ তিয়াগি পান ২টি উইকেট। গঙ্গাপুরান নেন ১টি উইকেট।

এর আগে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় ভারত। তবে দ্বিতীয় উইকেটে জশভি জশোয়াল (৩৭) ও অনুজ রাওয়াত (৩৫) মিলে ৬৬ রানের জুটি গড়েন। তবে এই জুটি ভেঙে দেন তাওহিদ হৃদয়। তার করা বলে শরিফুল ইসলামের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন অনুজ। এরপর ভারতের উইকেটে একের পর এক হানা দেয় বাংলাদেশ বোলাররা। আর তাতে ৭৭ রানে ৫ উইকেট হারায় ভারত। এরপর আয়ুশ বাদোনি (২৮), সমীর চৌধুরি (৩৬) ও গঙ্গাপুরানের (১৭) ব্যাটে দলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৭২ রান।

বাংলাদেশের শরিফুল ইসলাম সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন। মৃত্যুঞ্জয়, রিশাদ হাসান ও তৌহিদ ২টি করে উইকেট নেন। মিনহাজুর রহমান নেন ১টি উইকেট।

এর আগে গ্রুপ ‘বি’তে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে ৩ উইকেটে হারিয়েছিল বাংলাদেশি যুবারা। আর গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে হংকংকে ৫ উইকেটে হারিয়ে হারিয়ে সেমিতে ওঠে বাংলাদেশ।

অন্যদিকে, ‘এ’ গ্রুপে ৩ ম্যাচে ৩টি জয় তুলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই সেমি নিশ্চিত করে ভারত। আর ৩ ম্যাচ খেলে ২টিতে জয় তুলে গ্রুপ রানার্স আপ হয়ে সেমিতে উঠেছে আফগানিস্তান। শুক্রবার (৫ অক্টোবর) দ্বিতীয় সেমিতে মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান-শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

বিবি/ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি

তরী ডুবলো বাংলাদেশের

প্রকাশিত : ০৪:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর ২০১৮

ক’দিন আগেই ভারতের বিপক্ষে এশিয়া কাপের ফাইনালে শেষ বলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করেছে বাংলাদেশ। এবার তীরে এসেই তরী ডুবলো অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপেও। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে হংকংকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠলেও বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) সেমিফাইনালে ভারতের কাছে মাত্র ২ রানে হারলো তৌহিদ-শামিমরা।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ৪৯.৩ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১৭২ তোলে ভারত। জবাবে জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নেমে ৪৬.২ ওভারে ১৭০ রানেই সব উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৬৫ রানেই ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মাহমুদুল হাসান জয় ২৫ রান করলেও দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেনি বাকিরা কেউই। তবে ষষ্ঠ উইকেটে দলের হাল ধরেন শামিম হোসেন ও আকবর আলী। দু’জন মিলে ৭৪ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ১৩৯ রানে ব্যক্তিগত ৪৫ রানে ফেরেন আকবর আলী। এরপর ২ রান যোগ করে দলীয় ১৪৭ রানে আউট হয়ে ফিরে যান মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি।

তবে একপাশ থেকে দলের হাল ধরে অর্ধশতক তুলে নেন শামিম। তবে দলীয় ১৬১ রানে ব্যক্তিগত ৫৯ রানে গঙ্গাপুরানের বলে বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শামিম। এরপর শূন্য রানে রানে ফেরেন শরিফুল।

শেষ উইকেটে ৩৯ বলে যখন ১২ রান দরকার তখন উইকেটে ছিলেন রাকিবুল হাসান ও মিনহাজুর রহমান। দু’জন মিলে আশা জাগিয়ে জয়ের খুব কাছেই চলে গিয়েছিলন। তবে জয়ের জন্য যখন আর মাত্র ৩ রান দরকার, তখনই ব্যক্তিগত ৬ রানে রান আউট হন মুনহাজুর। আর তাতেই ফাইনালের আশা নিভে যায় বাংলাদেশের।

ভারতের সিদ্ধার্থ দেসাই ও মোহিত জংরা ৩টি করে উইকেট নেন। হর্শ তিয়াগি পান ২টি উইকেট। গঙ্গাপুরান নেন ১টি উইকেট।

এর আগে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় ভারত। তবে দ্বিতীয় উইকেটে জশভি জশোয়াল (৩৭) ও অনুজ রাওয়াত (৩৫) মিলে ৬৬ রানের জুটি গড়েন। তবে এই জুটি ভেঙে দেন তাওহিদ হৃদয়। তার করা বলে শরিফুল ইসলামের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন অনুজ। এরপর ভারতের উইকেটে একের পর এক হানা দেয় বাংলাদেশ বোলাররা। আর তাতে ৭৭ রানে ৫ উইকেট হারায় ভারত। এরপর আয়ুশ বাদোনি (২৮), সমীর চৌধুরি (৩৬) ও গঙ্গাপুরানের (১৭) ব্যাটে দলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৭২ রান।

বাংলাদেশের শরিফুল ইসলাম সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন। মৃত্যুঞ্জয়, রিশাদ হাসান ও তৌহিদ ২টি করে উইকেট নেন। মিনহাজুর রহমান নেন ১টি উইকেট।

এর আগে গ্রুপ ‘বি’তে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানকে ৩ উইকেটে হারিয়েছিল বাংলাদেশি যুবারা। আর গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে হংকংকে ৫ উইকেটে হারিয়ে হারিয়ে সেমিতে ওঠে বাংলাদেশ।

অন্যদিকে, ‘এ’ গ্রুপে ৩ ম্যাচে ৩টি জয় তুলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই সেমি নিশ্চিত করে ভারত। আর ৩ ম্যাচ খেলে ২টিতে জয় তুলে গ্রুপ রানার্স আপ হয়ে সেমিতে উঠেছে আফগানিস্তান। শুক্রবার (৫ অক্টোবর) দ্বিতীয় সেমিতে মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান-শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

বিবি/ইএম