০২:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারে অস্ত্রের মুখে চিংড়ি লুট

কক্সবাজার শহরে অস্ত্রের মুখে চিংড়ি প্রজেক্টের মালিক ও লেবারদের জিম্মি করে মাছ লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় ডাকাতদল কয়েক লাখ টাকার চিংড়ি, জাল ও আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

শনিবার ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে শহরের পেশকারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

চিংড়ি প্রজেক্ট মালিক ও ব্যবসায়ি মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, শুক্রবার রাত ১টার দিকে ১০/১২ জনের একদল ডাকাত চিংড়ি ঘেরে হানা দেয়। এসময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মাটিতে বসিয়ে রাখে আমাদের।

এক পর্যায়ে মোবাইল ফোনে স্বজনদের খবর দেয়ার চেষ্টা করা হলে ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে ফোন কেড়ে নেয় তারা। এসময় বন্দুকের নল দিয়ে মারধর করে।

পরে তিন ডাকাত অস্ত্র ঠেকিয়ে আমাদের জিম্মি করে রাখে এবং ৮-৯ জন শনিবার ভোররাত সাড়ে ৩টা পর্যন্ত চিংড়ি মাছ লুট করে চলে যায়।

আরেক চিংড়ি প্রজেক্ট মালিক দেলোয়ার জানান, মাছ লুটের পাশাপাশি ডাকাতরা ঘেরের জাল ও আসবাবপত্রও নিয়ে গেছে। তবে তাদের মধ্যে কয়েকজনকে সনাক্ত করা গেছে।

চিংড়ি প্রজেক্ট মালিকের মতে, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘেরে লুটপাট চালিয়ে অন্তত লক্ষাধিক টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায়। পাশাপাশি জাল এবং আসবাবপত্র নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন খন্দকার বলেন, চিংড়ি প্রজেক্টে ডাকাতির ঘটনার কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। যদি কেউ অভিযোগ করে তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

কক্সবাজারে অস্ত্রের মুখে চিংড়ি লুট

প্রকাশিত : ০২:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ অক্টোবর ২০১৮

কক্সবাজার শহরে অস্ত্রের মুখে চিংড়ি প্রজেক্টের মালিক ও লেবারদের জিম্মি করে মাছ লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় ডাকাতদল কয়েক লাখ টাকার চিংড়ি, জাল ও আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

শনিবার ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে শহরের পেশকারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

চিংড়ি প্রজেক্ট মালিক ও ব্যবসায়ি মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, শুক্রবার রাত ১টার দিকে ১০/১২ জনের একদল ডাকাত চিংড়ি ঘেরে হানা দেয়। এসময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মাটিতে বসিয়ে রাখে আমাদের।

এক পর্যায়ে মোবাইল ফোনে স্বজনদের খবর দেয়ার চেষ্টা করা হলে ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে ফোন কেড়ে নেয় তারা। এসময় বন্দুকের নল দিয়ে মারধর করে।

পরে তিন ডাকাত অস্ত্র ঠেকিয়ে আমাদের জিম্মি করে রাখে এবং ৮-৯ জন শনিবার ভোররাত সাড়ে ৩টা পর্যন্ত চিংড়ি মাছ লুট করে চলে যায়।

আরেক চিংড়ি প্রজেক্ট মালিক দেলোয়ার জানান, মাছ লুটের পাশাপাশি ডাকাতরা ঘেরের জাল ও আসবাবপত্রও নিয়ে গেছে। তবে তাদের মধ্যে কয়েকজনকে সনাক্ত করা গেছে।

চিংড়ি প্রজেক্ট মালিকের মতে, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঘেরে লুটপাট চালিয়ে অন্তত লক্ষাধিক টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায়। পাশাপাশি জাল এবং আসবাবপত্র নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন খন্দকার বলেন, চিংড়ি প্রজেক্টে ডাকাতির ঘটনার কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। যদি কেউ অভিযোগ করে তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।