০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে জালিয়াত চক্রের দুই সদস্য আটক

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে জালিয়াত চক্রের দুই সদস্য এবং তাদের ড্রাইভারকে আটক করেছে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন।
রবিবার রাতে এক ভর্তিচ্ছুকে কলা ও মানবিক অনুষদের প্রথম শিফটের প্রশ্ন সরবরাহের প্রলোভন দেখায় ওই দুই ব্যাক্তি। তার বিনিময়ে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করে তারা। যে ভর্তিচ্ছুকে প্রলোভন দেখানো হয়েছিল সে শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও মওলানা ভাসানী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মাহবুবুর রহমান নীলের আত্মীয়।

প্রত্যক্ষদর্শী শাখা ছাত্রলীগের ওই নেতা বলেন,“আমার ভাগ্নে জালিয়াত চক্রের প্রলোভনে পড়ে এবং সে আমাকে বিষয়টি জানায়। আমি প্রশাসনকে তা অবহিত করি এবং ভাগ্নের মাধ্যমে চক্রটিকে ধরার জন্য তাদের কাছে যেতে বলি।”সোমবার সকালের দিকে ওই চক্রটি ক্যাম্পাসে আসে। পরিকল্পনা অনুযায়ী চক্রটির সাথে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী প্রশ্নপত্রের জন্য গাড়িতে উঠতে গেলে সেখানে ওত পেতে থাকা নীলসহ অন্য শিক্ষার্থীরা তাদেরকে আটকে রাখে। খবর পেয়ে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদিপ্ত শাহিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং গাড়িচালক সহ ওই চক্রের তিনজনকে আটক করেন। তবে জাকির ও জেসান নামের আরো দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তি ক্যাম্পাসে আসলেও তাদেরকে আটক করা সম্ভব হয়নি। আটককৃতদের কাছ থেকে জানা যায়, জালিয়াতি চক্রের প্রধান হচ্ছে ওই দুই ব্যক্তি। আটককৃত ব্যাক্তিদের মধ্যে একজন নিজেকে নাম সাকিব উল সাদাত নামে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র হিসেবে পরিচয় দেয়। অন্যজন আশিক ই আতাহার মেজবাহ নামে নিজেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দেয়। গাড়িচালকের নাম আনোয়ার হোসেন।

তবে আনোয়ার হোসেন নিজেকে উবারের গাড়ি চালক বলে পরিচয় দেন। এবং তিনি ভাড়ায় এসেছেন বলেও দাবি করেন।
জালিয়াতির বিষয় স্বীকার করে তারা বলেন, “আমরা কোন প্রশ্নপত্র আনিনি। জাকির ও জিসান আমাদেরকে হাতে লেখা প্রশ্নের সাজেশন্স পাঠিয়েছে। আমরা তাদেরকে ওইগুলো পড়াতে আসছিলাম।”প্রক্টর সিকদার মোঃ জুলকারনাইন বলেন, “সোমবার ভোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। তারা দুজনই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বিকালে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদের বিচার করা হবে। তাদের কাছে থাকা প্রশ্নের সাথে আমাদের প্রশ্নের কোন মিল পাওয়া যায়নি”বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তাকর্মী সুদীপ্ত শাহীনের মাধ্যমে জানা যায়, তাদের কাছে ১৪ লাখ টাকার একটি চেক ও সাথে সরকারী একটি চাকরি পরীক্ষার প্রবেশপত্র পাওয়া গেছে।

বিবি/ইএম

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে জালিয়াত চক্রের দুই সদস্য আটক

প্রকাশিত : ০৪:৫৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ অক্টোবর ২০১৮

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে জালিয়াত চক্রের দুই সদস্য এবং তাদের ড্রাইভারকে আটক করেছে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন।
রবিবার রাতে এক ভর্তিচ্ছুকে কলা ও মানবিক অনুষদের প্রথম শিফটের প্রশ্ন সরবরাহের প্রলোভন দেখায় ওই দুই ব্যাক্তি। তার বিনিময়ে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করে তারা। যে ভর্তিচ্ছুকে প্রলোভন দেখানো হয়েছিল সে শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও মওলানা ভাসানী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মাহবুবুর রহমান নীলের আত্মীয়।

প্রত্যক্ষদর্শী শাখা ছাত্রলীগের ওই নেতা বলেন,“আমার ভাগ্নে জালিয়াত চক্রের প্রলোভনে পড়ে এবং সে আমাকে বিষয়টি জানায়। আমি প্রশাসনকে তা অবহিত করি এবং ভাগ্নের মাধ্যমে চক্রটিকে ধরার জন্য তাদের কাছে যেতে বলি।”সোমবার সকালের দিকে ওই চক্রটি ক্যাম্পাসে আসে। পরিকল্পনা অনুযায়ী চক্রটির সাথে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী প্রশ্নপত্রের জন্য গাড়িতে উঠতে গেলে সেখানে ওত পেতে থাকা নীলসহ অন্য শিক্ষার্থীরা তাদেরকে আটকে রাখে। খবর পেয়ে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদিপ্ত শাহিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং গাড়িচালক সহ ওই চক্রের তিনজনকে আটক করেন। তবে জাকির ও জেসান নামের আরো দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তি ক্যাম্পাসে আসলেও তাদেরকে আটক করা সম্ভব হয়নি। আটককৃতদের কাছ থেকে জানা যায়, জালিয়াতি চক্রের প্রধান হচ্ছে ওই দুই ব্যক্তি। আটককৃত ব্যাক্তিদের মধ্যে একজন নিজেকে নাম সাকিব উল সাদাত নামে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র হিসেবে পরিচয় দেয়। অন্যজন আশিক ই আতাহার মেজবাহ নামে নিজেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দেয়। গাড়িচালকের নাম আনোয়ার হোসেন।

তবে আনোয়ার হোসেন নিজেকে উবারের গাড়ি চালক বলে পরিচয় দেন। এবং তিনি ভাড়ায় এসেছেন বলেও দাবি করেন।
জালিয়াতির বিষয় স্বীকার করে তারা বলেন, “আমরা কোন প্রশ্নপত্র আনিনি। জাকির ও জিসান আমাদেরকে হাতে লেখা প্রশ্নের সাজেশন্স পাঠিয়েছে। আমরা তাদেরকে ওইগুলো পড়াতে আসছিলাম।”প্রক্টর সিকদার মোঃ জুলকারনাইন বলেন, “সোমবার ভোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। তারা দুজনই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বিকালে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদের বিচার করা হবে। তাদের কাছে থাকা প্রশ্নের সাথে আমাদের প্রশ্নের কোন মিল পাওয়া যায়নি”বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তাকর্মী সুদীপ্ত শাহীনের মাধ্যমে জানা যায়, তাদের কাছে ১৪ লাখ টাকার একটি চেক ও সাথে সরকারী একটি চাকরি পরীক্ষার প্রবেশপত্র পাওয়া গেছে।

বিবি/ইএম