০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নরসিংদীর ১ হাজার ১৪০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার

মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে নরসিংদীর সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার’ স্থাপন করেছেন। এ কর্ণারে স্থান পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই, আলোকচিত্র ও তথ্য।

ফলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারছে নতুন প্রজন্ম। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নরসিংদীর ছয়টি উপজেলার ১ হাজার ১৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গড়ে তোলা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার। জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইনের বিশেষ পরিকল্পনায় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গড়ে তোলা হয়েছে এসব কর্ণার।

কর্ণারগুলোতে উঠে এসেছে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার দৃশ্যপট। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধে জেলার অবদান, ইতিহাস, বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধা ও বীরদের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত কর্ণারগুলো থেকে মুক্তিযুদ্ধকে জানা ও অনুভব করতে পারছে শিক্ষার্থীরা।

নরসিংদীর জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিকশিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিজয় নিশ্চিত হয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে বাঙালিরা সকল প্রকার শাসন-শোষণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামের আত্মপ্রত্যয় অর্জন করতে পেরেছে।

তাই আমাদের বাঙালি জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে তার শেকড়কে জানা উচিত। আর আমাদের শেকড় হচ্ছে মহান মুক্তিযুদ্ধ। এ জন্যই শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অনুপ্রাণিত করে তোলা, চিন্তা চেতনায় দেশাত্মবোধ, জাতীয়তাবোধ তথা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা জুড়ে মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার গড়ে তোলা হয়েছে। পরবর্তীতে জেলার প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার গড়ে তোলা হবে।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

নরসিংদীর ১ হাজার ১৪০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার

প্রকাশিত : ০২:০৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৮

মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে নরসিংদীর সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার’ স্থাপন করেছেন। এ কর্ণারে স্থান পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই, আলোকচিত্র ও তথ্য।

ফলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারছে নতুন প্রজন্ম। লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নরসিংদীর ছয়টি উপজেলার ১ হাজার ১৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গড়ে তোলা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার। জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইনের বিশেষ পরিকল্পনায় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গড়ে তোলা হয়েছে এসব কর্ণার।

কর্ণারগুলোতে উঠে এসেছে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার দৃশ্যপট। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধে জেলার অবদান, ইতিহাস, বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানসহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধা ও বীরদের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত কর্ণারগুলো থেকে মুক্তিযুদ্ধকে জানা ও অনুভব করতে পারছে শিক্ষার্থীরা।

নরসিংদীর জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিকশিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিজয় নিশ্চিত হয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে বাঙালিরা সকল প্রকার শাসন-শোষণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামের আত্মপ্রত্যয় অর্জন করতে পেরেছে।

তাই আমাদের বাঙালি জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে তার শেকড়কে জানা উচিত। আর আমাদের শেকড় হচ্ছে মহান মুক্তিযুদ্ধ। এ জন্যই শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অনুপ্রাণিত করে তোলা, চিন্তা চেতনায় দেশাত্মবোধ, জাতীয়তাবোধ তথা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা জুড়ে মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার গড়ে তোলা হয়েছে। পরবর্তীতে জেলার প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার গড়ে তোলা হবে।

বিবি/রেআ