১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মা ইলিশ শিকার করায় ১৫ জেলের কারাদণ্ড

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকার করায় ১৫ জেলেকে ২০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার রাত ১১টা হতে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ হতে ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৯০ কেজি ইলিশ মাছ উদ্ধার করা হয়। আটককৃত জাল গোপালপুর ফেরী ঘাটে এনে পুড়িয়ে ফেলা হয় এবং মাছ স্থানীয় হাজিডাঙ্গী, বাদুল্লা মাতুব্বরের ডাঙ্গী, আবদুল শিকদারের ডাঙ্গী, এম কে ডাঙ্গী, রিফাত কওমী মাদ্রাসা ও এতিম খানায় বণ্টন করে দেওয়া হয়।

আটককৃতরা হলেন চরভদ্রাসন উপজেলার গাজীরটেক ইউনিয়নের নতুন চর (বদ্দিডাঙ্গী) গ্রামের আক্তার মোল্যা (২৮), আনোয়ার হোসেন (২৬), জলিল মিয়া (২৮), সদরপুর উপজেলার সেলিম শেখ (২০), রাশেদ মোল্যা (২০), মো. ফারুক (২৫), আলামিন খান (৪৫), মো. রফিক ( ৩০), জলিল বেপারী (৫৫), রুবেল খালশী (৩২), রাসেল মোল্যা (৩২),বাবলু মৃধা (৪০), কুদ্দুস চোকদার (৫০), জিন্নাত মৃধা (৪৫), মো. শহিদুল (৪০)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিট্রেট মো. কামরুজ্জামান। এ সময় তার সাথে ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মালিক তানভির হোসন, সহকারি (ফিল্ড সুপারভাইজার) শামীম আরেফিন ও চরভদ্রাসন থানা পুলিশ।

বিবি/রেআ

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

মা ইলিশ শিকার করায় ১৫ জেলের কারাদণ্ড

প্রকাশিত : ১২:১৩:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৮

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকার করায় ১৫ জেলেকে ২০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার রাত ১১টা হতে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ হতে ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ৯০ কেজি ইলিশ মাছ উদ্ধার করা হয়। আটককৃত জাল গোপালপুর ফেরী ঘাটে এনে পুড়িয়ে ফেলা হয় এবং মাছ স্থানীয় হাজিডাঙ্গী, বাদুল্লা মাতুব্বরের ডাঙ্গী, আবদুল শিকদারের ডাঙ্গী, এম কে ডাঙ্গী, রিফাত কওমী মাদ্রাসা ও এতিম খানায় বণ্টন করে দেওয়া হয়।

আটককৃতরা হলেন চরভদ্রাসন উপজেলার গাজীরটেক ইউনিয়নের নতুন চর (বদ্দিডাঙ্গী) গ্রামের আক্তার মোল্যা (২৮), আনোয়ার হোসেন (২৬), জলিল মিয়া (২৮), সদরপুর উপজেলার সেলিম শেখ (২০), রাশেদ মোল্যা (২০), মো. ফারুক (২৫), আলামিন খান (৪৫), মো. রফিক ( ৩০), জলিল বেপারী (৫৫), রুবেল খালশী (৩২), রাসেল মোল্যা (৩২),বাবলু মৃধা (৪০), কুদ্দুস চোকদার (৫০), জিন্নাত মৃধা (৪৫), মো. শহিদুল (৪০)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিট্রেট মো. কামরুজ্জামান। এ সময় তার সাথে ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মালিক তানভির হোসন, সহকারি (ফিল্ড সুপারভাইজার) শামীম আরেফিন ও চরভদ্রাসন থানা পুলিশ।

বিবি/রেআ