০৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ ফেলে পালিয়ে গেল স্বামী!

হাসপাতালে স্ত্রী হালিমা আক্তারের (২০) লাশ ফেলে স্বামী আলামিন মুন্সী পালিয়ে যাওয়ায় সবার সন্দেহ হয় তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার রাত ১০টার দিকে হালিমাকে অচেতন অবস্থায় তাঁর স্বামী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষনা করেন। এ খবর শোনার সঙ্গে সঙ্গেই স্বামীসহ পরিবারের লোকজন সঁটকে পড়ে। রহস্যজনক এ মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটেছে শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের রাজৈর গ্রামে। পুলিশ আজ মঙ্গলবার সকালে হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসাপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। তবে, স্ত্রীর মৃত্যুর বিষয়ে রাজৈর কলেজ মোড়ের ফ্যাক্সিলোড ও ফটোষ্ট্যাট ব্যবসায়ী স্বামী আলামিন মুন্সী মোবাইল ফোনে হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, হালিমা বেশ কিছুদিন ধরে শারিরীকভাবে অসুস্থ। এ অবস্থায় সে আমাকে নিয়ে বাবার বাড়ি যাওয়ার বায়না ধরে। হাতে কাজের চাপ থাকায় আমি যেতে পারবোনা বলায় সে অভিমান করে। রাত ১০টার দিকে বাসায় গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ পাই। পরে দরজা ভেঙে তাঁকে গলায় ওড়না পেচিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে থাকতে দেখে সেখান থেকে নামিয়ে দ্রুত হাসাপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষনা করেন। এসময় ভয়ে আমরা সেখান থেকে চলে যাই। নিহত হালিমার বাবা উপজেলার দণি চালিতাবুনিয়া গ্রামের আ. হাই হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, দেড় বছর আগে খোন্তাকাটার রাজৈর এলাকার মজিদ মুন্সীর ছেলে আলামিনের সঙ্গে হালিমার বিয়ে দিই। বিয়ের পর থেকেই আলামিন ৫০ লাখ টাকা যৌতুক অথবা সরকারি চাকরি দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। এসব না পেয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে সোমবার রাতে হাসপাতালে লাশ ফেলে পালিয়ে যায়। শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দিলিপ কুমার সরকার জানান, হাসপাতাল থেকে খবর পেয়ে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করা হয়। ময়না তদন্তের জন্য লাশ বাগেরহাট মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাচ্ছেনা। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অসীম কুমার সমদ্দার জানান, রাতে কয়েক ব্যক্তি ওই গৃহবধুকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে পরীা-নিরীা করে মৃত্যুর কথা জানাতেই তারা পালিয়ে যায়। পরে তিনি পুলিশকে খবর দেন।

বিবি / ইএম

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ ফেলে পালিয়ে গেল স্বামী!

প্রকাশিত : ০৫:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৮

হাসপাতালে স্ত্রী হালিমা আক্তারের (২০) লাশ ফেলে স্বামী আলামিন মুন্সী পালিয়ে যাওয়ায় সবার সন্দেহ হয় তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার রাত ১০টার দিকে হালিমাকে অচেতন অবস্থায় তাঁর স্বামী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষনা করেন। এ খবর শোনার সঙ্গে সঙ্গেই স্বামীসহ পরিবারের লোকজন সঁটকে পড়ে। রহস্যজনক এ মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটেছে শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের রাজৈর গ্রামে। পুলিশ আজ মঙ্গলবার সকালে হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসাপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। তবে, স্ত্রীর মৃত্যুর বিষয়ে রাজৈর কলেজ মোড়ের ফ্যাক্সিলোড ও ফটোষ্ট্যাট ব্যবসায়ী স্বামী আলামিন মুন্সী মোবাইল ফোনে হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, হালিমা বেশ কিছুদিন ধরে শারিরীকভাবে অসুস্থ। এ অবস্থায় সে আমাকে নিয়ে বাবার বাড়ি যাওয়ার বায়না ধরে। হাতে কাজের চাপ থাকায় আমি যেতে পারবোনা বলায় সে অভিমান করে। রাত ১০টার দিকে বাসায় গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ পাই। পরে দরজা ভেঙে তাঁকে গলায় ওড়না পেচিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলে থাকতে দেখে সেখান থেকে নামিয়ে দ্রুত হাসাপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষনা করেন। এসময় ভয়ে আমরা সেখান থেকে চলে যাই। নিহত হালিমার বাবা উপজেলার দণি চালিতাবুনিয়া গ্রামের আ. হাই হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, দেড় বছর আগে খোন্তাকাটার রাজৈর এলাকার মজিদ মুন্সীর ছেলে আলামিনের সঙ্গে হালিমার বিয়ে দিই। বিয়ের পর থেকেই আলামিন ৫০ লাখ টাকা যৌতুক অথবা সরকারি চাকরি দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। এসব না পেয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে সোমবার রাতে হাসপাতালে লাশ ফেলে পালিয়ে যায়। শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দিলিপ কুমার সরকার জানান, হাসপাতাল থেকে খবর পেয়ে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করা হয়। ময়না তদন্তের জন্য লাশ বাগেরহাট মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাচ্ছেনা। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অসীম কুমার সমদ্দার জানান, রাতে কয়েক ব্যক্তি ওই গৃহবধুকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে পরীা-নিরীা করে মৃত্যুর কথা জানাতেই তারা পালিয়ে যায়। পরে তিনি পুলিশকে খবর দেন।

বিবি / ইএম