বাংলাদেশের উত্তরের জেলা পাবনার সুজানগর উপজেলায় কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। শরৎকে বিদায় দিয়ে হেমন্তকে বরণ করেছে প্রকৃতি। সব মিলিয়ে এখন প্রকৃতিতে যেনো বইছে শীতের আগাম বার্তা। তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসায় শীতের কাপড়ের পসরা সাজাতে শুরু করেছে স্থানীয় মৌসুমী ব্যবসায়ীরা আর বর্তমানে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন লেপ-তোশকের কারিগররা।
শীতের আমেজ শুরু হওয়ায় দিন শেষে রাত আসলেই ঘুমের জন্য জড়াতে হচ্ছে লেপ/কাঁথা অথবা পাতলা কাপড়।
পাবনার সুজানগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রবীন ব্যক্তি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুস সামাদ বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মনে হচ্ছে শীত একটু আগে ভাগেই শুরু হয়েছে।
উপজেলার কাঁচারীপাড়া এলাকার বাসিন্দা শ্রী প্রণব কুমার বলেন, দিনের বেলায় তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও সন্ধ্যা শেষে রাত নেমে আসার সাথে সাথে শুরু হয়ে যায় শীতের তীব্রতা।
সুজানগর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও প্রবীন সাংবাদিক আব্দুস শুকুর বলেন, সম্প্রতি নিম্নচাপের কারণে দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে পদ্মা নদী সংলগ্ন জেলা পাবনায়। আর এর প্রভাবে ধীরে ধীরে কমছে তাপমাত্রা। দিন পেড়িয়ে রাত গভীর হতেই কুয়াশার সঙ্গে হিমেল বাতাসে মিলছে শীতের আভাস।
স্থানীয় লেপ-তোশক ব্যবসায়ী আল-আমিন জানান, শীত পড়তে শুরু করায় লেপ-তোশক বানানোর জন্য মানুষের ভিড় বেড়েছে। আর এ জন্য স্থানীয় কারিগরের পাশাপাশি আমাদের পাবনার বাইরের জেলা থেকে কারিগর এনে দিনরাত নতুন লেপ-তোশক বানানোর কাজ করাতে হচ্ছে।
এ কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট আব্দুল মাজেদ নামে এক কারিগর বলেন, বর্তমানে কাজের চাপ বেড়ে যাওয়ায় একটু অবসরের সময়টাও পাচ্ছেন না তারা।
পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সাবেক এলাকা পরিচালক শফিকুল ইসলাম খান বাবু বলেন, শহরে বসবাসকারী মানুষেরা শীতের তীব্রতা তেমন অনুভব করতে না পারলেও গ্রামে অঞ্চলে বসবাসকারীরা ইতিমধ্যে শীতের তীব্রতা অনুভব করতে শুরু করেছে।
সুজানগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এমএ আলিম রিপন শীতের শুরুতেই সরকারের পাশাপাশি সমাজের সামর্থবান ব্যক্তিদের অসহায় দরিদ্র শীতার্ত মানুষদের পাশে থেকে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহবান জানিয়েছেন।
বিবি/জেজে




















