পাবনার সুজানগর উপজেলার ভায়না ইউনিয়নের শাহাপুর গ্রামের হাতুরী ডাক্টার আসলাম হোসেনের ফার্মেসির মেয়াদ উত্তীর্ন ঔষধ ও ইনজেকশনে গৃহবধূ তাকমিনা আক্তার কনক ও রেনু খাতুন দীর্ঘদিন যাবত গুরুতর অসুস্থ।
জানা যায়, শাহাপুর গ্রামের রজব আলী মন্ডলের ছেলে আসলাম এলাকায় মাসুদ রানার স্ত্রী তাকমিনা আক্তার কনক ও নবী শেখের স্ত্রী রেনু খাতুনকে জন্মনিয়ন্ত্রণ রোধে মেয়াদ উত্তীর্ন ইনজেকশন দেওয়ার পর থেকেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
গৃহবধু তাকমিনা আক্তার কনক আসলামের কাছে অসুস্থতাে কথা বললে শরিফুল ইসলাম নামক হাসপাতালের এক ডাক্টারে কাছে চিকিৎসার জন্য পাঠান। শরিফ ডাক্টার দীর্ঘদিন চিকিৎসার পরেও ভালো না হলে তিনি ডা: আব্দুল আওয়ালের কাছে পাঠান, এখানেও ভালো না হলে পাবনার মেডিকেল হাসপাতালের জেনারেল এন্ড ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন ডা: গৌতম কুমার ঘোষ, অর্থোপেডিক্স ডা: মাসউদুর রহমান প্রিন্স, ডা: হাসান আল হাবিব সাগরের কাছে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ না হলে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ শহীদুজ্জামানের চিকিৎসাধীন রয়েছে। রেনু খাতুন অপারেশন হলেও পুরোপুরী সুস্থ হতে পারেনি।
ভুক্তভোগী তাকমিনা আক্তার কনকের স্বামী মাসুদ রানা জানান, নাজিরগঞ্জ পরিবার পরিকল্পনা হাসপাতালে মাঠ কর্মী হয়ে ড্রাগ লাইন্সেসবিহীন ঔষধের দোকান করে আসলাম আমার স্ত্রীর মেয়াদ উত্তীর্ন ইনজেকশন দেয়, এ কারণে তার স্ত্রীর বাম হাতের মাংসে কালো কালো হয়ে ফুলে যাচ্ছে, পাবনা মেডিকেল হাসপাতালের চিকিৎসা শেষ করে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ শহীদুজ্জামানের চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্ত্রীকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে আমি সর্বশান্ত হয়ে পড়েছি।
রেনু খাতুন বলেন, আসলাম আমার জীবনটা শেষ করে দিয়েছে, হাত দিয়ে সংসারের কোন কাজ করতে পারি না, বামপাশ হয়ে ঘুমাতে পারি না।
তাকমিনা আক্তার কনক বলেন, হাতের যন্ত্রণায় কোন কাজ করতে পারি না, ঘুমাতে পারি না, মাঝে মধ্যে মনে হয় হাতটাই আমার শরীর থেকে আলাদা করে ফেলি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ছোট্ট একটি অপরিস্কার স্টোল ঘরে ধুলাবালির মধ্যে খোলা-মেলা ভাবে বিভিন্ন যৌন উত্তেযোক ঔষধ ও মেয়াদ উত্তীর্ন ঔষধও দেখা যায়।
এ ব্যাপারে আসলাম হোসেন বলেন, আমি তো অনেক রুগিকে ইনজেকশন দিয়েছি, এর মধ্যে এই দুইজনেরী সমস্যা হয়েছে, যৌন উত্তেযোক ঔষধ কোম্পানী বানাচ্ছে, আমরা বিক্রয় করলে সমস্যা কি?
তিনি আরো বলেন, গ্রামে ঔষধ বিক্রয় করতে ড্রাগ লাইন্সেস লাগে না।
বিবি/জেজে




















