চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর ছোটপুল এলাকায় গলাকেটে সুমি ইসলামকে হত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তার স্বামী মো. জাহিদ হোসেন রাজু (২৮)।
সোমবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল ইমরান খানের আদালতে সুমি ইসলামকে হত্যার ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিএমপির সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী শাহাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, সুমি ইসলাম হত্যার ঘটনায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল ইমরান খানের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তার স্বামী মো. জাহিদ হোসেন রাজু।
জবানবন্দি রেকর্ড শেষে আদালত মো. জাহিদ হোসেন রাজুকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে জানান কাজী শাহাব উদ্দিন আহমেদ।
এর আগে সোমবার ভোররাতে হালিশহরের ছোটপুল এলাকা থেকে মো. জাহিদ হোসেন রাজুকে গ্রেফতার করে হালিশহর থানা পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যে বেপারীপাড়া পইট্টাদীঘির পশ্চিম পাশে কবরস্থানের ঝোপের ভেতর থেকে সুমি ইসলামের খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া এ ঘটনায় জড়িত আরও দুইজন আবদুল জলিল প্রকাশ কসাই জলিল ও তার স্ত্রী ফেরদৌসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সুমি ইসলাম খুলনার টোটপাড়া এলাকার শহিদুল ইসলামের মেয়ে। স্বামী জাহিদ হোসেন খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা এলাকার হারুনুর রশিদের ছেলে। গত দেড় বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। সুমি সিডিএ আবাসিক এলাকায় একটি বুটিক হাউজে চাকরি করতেন। তারা ছোটপুল এলাকায় ভাড়া থাকতেন বলে জানায় পুলিশ।
গ্রেফতারের পর জাহিদ হোসেন পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের কথা শিকার করে দাবি করেছে, দাম্পত্য কলহ থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি। বিয়ের পর থেকে সুমির সঙ্গে জাহিদের বনিবনা হচ্ছিল না। বিভিন্ন জনের সঙ্গে সুমির মেলামেশা নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো।
শুক্রবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্থানীয়দের খবরে ছোটপুল এলাকায় সড়কের নিচে ড্রেনের ভেতর থেকে সুমি ইসলামের বস্তাবন্দি গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পু্লিশ বাদি হয়ে হালিশহর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে।
বিবি/জেজে




















