০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ময়মনসিংহে ‘বন্দকযুদ্ধে’ নিহত ২

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা ও সদর উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দকযুদ্ধে’ ওয়ারেন্টভুক্ত দুই পলাতক আসামি নিহত হয়েছেন। নিহতদের নাম আবদুল্লা হেল কাফি (৩১) ও আলমগীর হোসেন গুতু (২৭)।

পুলিশের দাবি, নিহতরা তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী। শুক্রবার মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে।

জেলা গোয়েন্দা বিভাগের ওসি শাহ মোহাম্মদ কামাল আকন্দ বলেন, শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে ময়মনসিংহ সদরের সাহেব কাচারি বাজারের পাশে ডিবি পুলিশ মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের ওপর প্রথমে ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও গুলি ছোড়ে মাদক ব্যবসায়ীরা।

তিনি বলেন, পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে তারা পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ আলমগীর হোসেন গুতুকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দুই কেজি গাঁজা ও দুটি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে পুলিশ। আলমগীর ময়মনসিংহ সদরের কালিবাড়ি রোডের পুরাতন গুদারাঘাট এলাকার ইব্রাহিমের ছেলে। তার বিরুদ্ধে থানায় মাদক মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

ওসি কামাল আকন্দ বলেন, এছাড়া শুক্রবার রাত পৌনে ২টার দিকে মুক্তাগাছার কাঠালিয়া ঝালই ব্রিজের কাছে রাস্তার ওপরে কিছু মাদক ব্যবসায়ী মাদক ভাগাভাগি করছে, এই খবরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের দল সেখানে অভিযান চালায়।

তিনি বলেন, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা প্রথমে ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও পরে গুলি ছোড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়লে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ আব্দুল্লাহ আল কাফিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরো বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি কাঠের বাটযুক্ত এলজি ও ২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। কাফি ফুলবাড়িয়া উপজেলার আমদালিয়া গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে থানায় মাদকসহ একাধিক মামলা আছে।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

ময়মনসিংহে ‘বন্দকযুদ্ধে’ নিহত ২

প্রকাশিত : ১০:৫৭:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ নভেম্বর ২০১৮

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা ও সদর উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দকযুদ্ধে’ ওয়ারেন্টভুক্ত দুই পলাতক আসামি নিহত হয়েছেন। নিহতদের নাম আবদুল্লা হেল কাফি (৩১) ও আলমগীর হোসেন গুতু (২৭)।

পুলিশের দাবি, নিহতরা তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী। শুক্রবার মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে।

জেলা গোয়েন্দা বিভাগের ওসি শাহ মোহাম্মদ কামাল আকন্দ বলেন, শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে ময়মনসিংহ সদরের সাহেব কাচারি বাজারের পাশে ডিবি পুলিশ মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের ওপর প্রথমে ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও গুলি ছোড়ে মাদক ব্যবসায়ীরা।

তিনি বলেন, পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে তারা পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ আলমগীর হোসেন গুতুকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে দুই কেজি গাঁজা ও দুটি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে পুলিশ। আলমগীর ময়মনসিংহ সদরের কালিবাড়ি রোডের পুরাতন গুদারাঘাট এলাকার ইব্রাহিমের ছেলে। তার বিরুদ্ধে থানায় মাদক মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

ওসি কামাল আকন্দ বলেন, এছাড়া শুক্রবার রাত পৌনে ২টার দিকে মুক্তাগাছার কাঠালিয়া ঝালই ব্রিজের কাছে রাস্তার ওপরে কিছু মাদক ব্যবসায়ী মাদক ভাগাভাগি করছে, এই খবরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের দল সেখানে অভিযান চালায়।

তিনি বলেন, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা প্রথমে ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও পরে গুলি ছোড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়লে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ আব্দুল্লাহ আল কাফিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরো বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি কাঠের বাটযুক্ত এলজি ও ২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। কাফি ফুলবাড়িয়া উপজেলার আমদালিয়া গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে থানায় মাদকসহ একাধিক মামলা আছে।

বিবি/জেজে