পাবনার সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের তারাবাড়ীয়া ২৭ নং জেএল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসির উদ্দিনের বেধরক বেতাঘাতে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র রনি (১২) গুরুতর আহত হয়ে সুজানগর হাসপাতালে ভর্তি হয়। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ঐ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ফেরদৌসী আক্তার রুপার ছেলে প্রথম শ্রেণীর ছাত্র শাওন অন্য ছাত্রের সঙ্গে ফুটবল খেলা করতে গিয়ে অন্য শিক্ষিকা ফাতেমা খাতুনের মেয়ে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী প্রিয়ন্তির গায়ে বল লাগাকে কেন্দ্র করে নিদোর্ষ দরিদ্র পরিবারের সন্তান রনি কে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বেধরক বেতাঘাত করে গুরুতর আহত করে। বিকেলে আহত রনির মা কে বিদ্যালয়ে ডেকে এনে, রনির বিরোধে অনেক অভিযোগ আছে বলেন জানায়, এ কারণে রনি কে একটু শাসন করা হয়েছে। রনির মা অন্য শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চাইলে এ ঘটনার কোন সত্যতা পাওয়া যায় না, রনির মা নিরুপায় হয়ে অসুস্থ্য ছেলে কে নিয়ে সুজানগর হাসপাতালে ভর্তি করে। রনির মা সীমা খাতুন জানান ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তি করলে, নাছির মাস্টারে ভাই ডা: মোস্তাফিজুর রহমান সুজানগর হাসপাতালের ডাক্টার হওয়ায় আমার ছেলে কে ঠিকমত চিকিৎসা না দিয়েই রিলিজ করে দেয়, পরে এলাকার প্রায় ৩/৪ শত লোক আমাদের বাড়ীতে এসে আমাদের কোন কথা না শুনে, একতরফা ভাবে নাসির মাস্টার কে না এনেই ২ হাজার টাকা দিয়ে যায় এবং যাবার সময় বলে যায় ছেলের ভালো চাইলে এ বিষয়ে আর কোন কথা বলবেন না। নাছির মাস্টার এর পূর্বে একই বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণীর ছাত্র মামুন কে বেধরক মারপিট করে আহত করেছিলো। প্রধান শিক্ষক নাসির উদ্দিন বলেন এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাইদুর রহমান বাদশা জোর্য়াদার সহ আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ বসে চিকিৎসা বাবদ কিছু টাকা দিয়ে মিমাংসা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাইদুর রহমান বাদশা জোর্য়াদার জানান বিষয়টি আমরা দলীয় ভাবে বসে ঠিক করে দিয়েছি।
বিবি/ ইএম




















