০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুজানগরে শীত মৌসুমের শুরুতেই ধুম পড়েছে কুমড়ো বড়ি তৈরির

পাবনার সুজানগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতের শুরুতেই ধুম পড়েছে কুমড়ো বড়ি তৈরির । সুজানগর পৌরসভার ভবানীপুর, খাপাড়া সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায় কুমড়ো বড়ি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পাড় করছে স্থানীয় নারীরা ।ভবানীপুর এলাকার মফিজ হোসেন নামক এক ব্যক্তি বলেন প্রতি বছর শীত আসলেই এসব এলাকার শতশত নারী সুস্বাদু এ কুমড়ো বড়ি তৈরি করে নিজ নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় রোদে শুকানার পর সেটি বাজারে বিক্রি করে বাড়তি টাকা রোজগার করে থাকে । কুমড়ো বড়ি তৈরির সাথে জড়িত খাপাড়া এলাকার আসমা খাতুন বলেন মুলত তিন ধরণের কুমড়ো বড়ি তারা তৈরি করে থাকেন এর মধ্যে সবচেয়ে ভালটা তৈরি করা হয় শুধু কালাই এর ডাল,চাল কুমড়ো ও মসলা দিয়ে ,যাদের এলার্জী জাতীয় সমস্য রয়েছে তাদের জন্য তৈরি করা হয় এ্যাংকর ডাল, চাল কুমড়ো ও মসলা দিয়ে, আর যারা কম দামে কিনতে চান তাদের জন্য আলো চাউলের গুড়ো, চাল কুমড়ো ও মসলা দিয়ে ।শ্রী কমলা রাণী নামে অন্য আরেক জন জানান আমাদের হাতে তৈরিকৃত কুমড়ো বড়ি স্থানীয় লোকজন ও ব্যাপারী সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যাপারীরা এসে কিনে নিয়ে যান এবং কুমড়ো বড়ির মান ভেদে ১৫০/=টাকা কেজি থেকে শুরু করে ২৭০ টাকা কেজি দরে তারা এটি বিক্রি করে থাকেন আর চাহিদাও রয়েছে ব্যাপক । পৌর মেয়র আলহাজ¦ মো. আব্দুল ওহাব বলেন এ এলাকায় ভাল মানের কুমড়ো বড়ি তৈরি হওয়ায় অনেক মানুষ বিদেশ নিয়ে গিয়ে থাকেন। মানিকদীর এলাকার শ্রী অর্পণা দাশ বলেন কুমড়ো বড়ি তৈরি করতে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয় তাদের আর এর জন্য খুব ভোরে উঠেই কাজ শুরু করে রোদ উঠার সাথে সাথে তারা সাদা কাপড় বিছিয়ে সাড়ি সাড়ি কুমড়ো বড়ি চাটাইয়ের উপর রেখে বিভিন্ন পদ্ধতিতে শুকিয়ে থাকেন । তিনি আরো জানান এ কাজের সাথে জড়িতদের বেশিরভাগই দরিদ্র পরিবারের মানুষ ।তাই এ কাজের সাথে জড়িতদের সার্বিক সহযোগিতার দাবী জানান সরকারের নিকট ।

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

সুজানগরে শীত মৌসুমের শুরুতেই ধুম পড়েছে কুমড়ো বড়ি তৈরির

প্রকাশিত : ০৫:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ নভেম্বর ২০১৮

পাবনার সুজানগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শীতের শুরুতেই ধুম পড়েছে কুমড়ো বড়ি তৈরির । সুজানগর পৌরসভার ভবানীপুর, খাপাড়া সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা যায় কুমড়ো বড়ি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পাড় করছে স্থানীয় নারীরা ।ভবানীপুর এলাকার মফিজ হোসেন নামক এক ব্যক্তি বলেন প্রতি বছর শীত আসলেই এসব এলাকার শতশত নারী সুস্বাদু এ কুমড়ো বড়ি তৈরি করে নিজ নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় রোদে শুকানার পর সেটি বাজারে বিক্রি করে বাড়তি টাকা রোজগার করে থাকে । কুমড়ো বড়ি তৈরির সাথে জড়িত খাপাড়া এলাকার আসমা খাতুন বলেন মুলত তিন ধরণের কুমড়ো বড়ি তারা তৈরি করে থাকেন এর মধ্যে সবচেয়ে ভালটা তৈরি করা হয় শুধু কালাই এর ডাল,চাল কুমড়ো ও মসলা দিয়ে ,যাদের এলার্জী জাতীয় সমস্য রয়েছে তাদের জন্য তৈরি করা হয় এ্যাংকর ডাল, চাল কুমড়ো ও মসলা দিয়ে, আর যারা কম দামে কিনতে চান তাদের জন্য আলো চাউলের গুড়ো, চাল কুমড়ো ও মসলা দিয়ে ।শ্রী কমলা রাণী নামে অন্য আরেক জন জানান আমাদের হাতে তৈরিকৃত কুমড়ো বড়ি স্থানীয় লোকজন ও ব্যাপারী সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যাপারীরা এসে কিনে নিয়ে যান এবং কুমড়ো বড়ির মান ভেদে ১৫০/=টাকা কেজি থেকে শুরু করে ২৭০ টাকা কেজি দরে তারা এটি বিক্রি করে থাকেন আর চাহিদাও রয়েছে ব্যাপক । পৌর মেয়র আলহাজ¦ মো. আব্দুল ওহাব বলেন এ এলাকায় ভাল মানের কুমড়ো বড়ি তৈরি হওয়ায় অনেক মানুষ বিদেশ নিয়ে গিয়ে থাকেন। মানিকদীর এলাকার শ্রী অর্পণা দাশ বলেন কুমড়ো বড়ি তৈরি করতে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয় তাদের আর এর জন্য খুব ভোরে উঠেই কাজ শুরু করে রোদ উঠার সাথে সাথে তারা সাদা কাপড় বিছিয়ে সাড়ি সাড়ি কুমড়ো বড়ি চাটাইয়ের উপর রেখে বিভিন্ন পদ্ধতিতে শুকিয়ে থাকেন । তিনি আরো জানান এ কাজের সাথে জড়িতদের বেশিরভাগই দরিদ্র পরিবারের মানুষ ।তাই এ কাজের সাথে জড়িতদের সার্বিক সহযোগিতার দাবী জানান সরকারের নিকট ।

বিবি/ ইএম