১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

দণ্ডিতদের নির্বাচন না করাই ভালো: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আদালতে দণ্ডিত ব্যক্তিদের নির্বাচন না করাই ভালো। নৈতিকতার প্রশ্নে আওয়ামী লীগ দণ্ডিত ব্যক্তিদের নির্বাচন করাকে সমর্থন করে না।

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে রবিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, দেশের জনগণ নির্বাচনের মুডে রয়েছে। তারা এখন আন্দোলনের মুডে নেই। বিএনপি যতই আন্দোলনের কথা বলুক, জনগণ এখন নির্বাচনের মুডে। পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে বিএনপি নানাভাবে উস্কানি দেয়ার চেষ্টা করছে।

কাদের বলেন, জয়ী হলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, নির্বাচনের আগে তা ঘোষণা না করতে পারা ঐক্যফ্রন্টের প্রাথমিক পরাজয়। বিএনপি তাদের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা প্রদর্শন করতে পারেনি। এটা তাদের ব্যর্থতা। অন্যদিকে যতই দিন যাচ্ছে আওয়ামী লীগের বিজয় নিশ্চিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টের নেতা থাকলেও মাথা নেই। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মতো তাদের কোনো নেতা নেই।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের ২৫ দিন আগে বিএনপির আন্দোলনের ঘোষণা দুঃস্বপ্নের নামান্তর। জনগণ এখন নির্বাচনী মুডে, আন্দোলনের মুডে নেই।

গণগ্রেফতারের অভিযোগ অস্বীকার করে কাদের বলেন, গণগ্রেফতারের যে অভিযোগ বিএনপি করছে তার সুনির্দিষ্ট তালিকা দিতে হবে। সন্ত্রাসী ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের শক্তির ওপর নির্ভরশীল। বিএনপি গুজবের ওপর নির্ভরশীল। বিএনপির জনগণের ওপর আস্থা কম। যাদের জনগণের ওপর আস্থা কম তারাই গুজবের ওপর নির্ভর করে। দিন যত যাবে আগামী নির্বাচনে কারা ক্ষমতায় আসবে বিষয়টি তত স্পষ্ট হবে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দলীয় মনোনয়ন নিয়ে অন্যবারের তুলনায় এবার নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া অনেক কম। তবে যারা বিদ্রোহী হবে তাদের আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হবে।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের চ্যালেঞ্জে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

দণ্ডিতদের নির্বাচন না করাই ভালো: কাদের

প্রকাশিত : ০২:৪০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ ডিসেম্বর ২০১৮

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আদালতে দণ্ডিত ব্যক্তিদের নির্বাচন না করাই ভালো। নৈতিকতার প্রশ্নে আওয়ামী লীগ দণ্ডিত ব্যক্তিদের নির্বাচন করাকে সমর্থন করে না।

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে রবিবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, দেশের জনগণ নির্বাচনের মুডে রয়েছে। তারা এখন আন্দোলনের মুডে নেই। বিএনপি যতই আন্দোলনের কথা বলুক, জনগণ এখন নির্বাচনের মুডে। পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে বিএনপি নানাভাবে উস্কানি দেয়ার চেষ্টা করছে।

কাদের বলেন, জয়ী হলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, নির্বাচনের আগে তা ঘোষণা না করতে পারা ঐক্যফ্রন্টের প্রাথমিক পরাজয়। বিএনপি তাদের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা প্রদর্শন করতে পারেনি। এটা তাদের ব্যর্থতা। অন্যদিকে যতই দিন যাচ্ছে আওয়ামী লীগের বিজয় নিশ্চিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টের নেতা থাকলেও মাথা নেই। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মতো তাদের কোনো নেতা নেই।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের ২৫ দিন আগে বিএনপির আন্দোলনের ঘোষণা দুঃস্বপ্নের নামান্তর। জনগণ এখন নির্বাচনী মুডে, আন্দোলনের মুডে নেই।

গণগ্রেফতারের অভিযোগ অস্বীকার করে কাদের বলেন, গণগ্রেফতারের যে অভিযোগ বিএনপি করছে তার সুনির্দিষ্ট তালিকা দিতে হবে। সন্ত্রাসী ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের শক্তির ওপর নির্ভরশীল। বিএনপি গুজবের ওপর নির্ভরশীল। বিএনপির জনগণের ওপর আস্থা কম। যাদের জনগণের ওপর আস্থা কম তারাই গুজবের ওপর নির্ভর করে। দিন যত যাবে আগামী নির্বাচনে কারা ক্ষমতায় আসবে বিষয়টি তত স্পষ্ট হবে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দলীয় মনোনয়ন নিয়ে অন্যবারের তুলনায় এবার নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া অনেক কম। তবে যারা বিদ্রোহী হবে তাদের আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হবে।

বিবি/জেজে